নিজস্ব প্রতিনিধি: বিয়ের দশ মাসের মাথায় উদ্ধার হল গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গীর ফরিদপুর এলাকায়। শ্বশুরবাড়িতে নববধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খুনের অভিযোগ মৃতার স্বামী-শাশুড়ির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পলাতক স্বামী সহ গোটা পরিবার। মৃত বধূর নাম চুমকি খাতুন,বয়স ২১ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চুমকির এটা দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। চুমকির প্রথম পক্ষের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছদের পর প্রেম করে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিল ফরিদপুরের আমির হামজাকে।দুজনে প্রেম করে বিয়ে করলেও বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। শনিবার(২২ মার্চ) থেকে চুমকির শ্বশুরবাড়িতে অশান্তি আরও বাড়ে। চুমকিকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করে বলেও অভিযোগ।
চুমকির পরিবারের অভিযোগ, শনিবার সকালে আচমকা ফোন করে চুমকি। ফোন করে কান্নাকাটি শুরু করে। ফোনেও তার গলা ভীষণ ভাঙা ভাঙা শোনাচ্ছিল। এরপর তারা শোনে শনিবার চুমকি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসে ফরিদপুরে। মৃতের স্বামীর বাড়িতে এসে দেখেন যে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে তাদের মেয়ে।ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়ে সকলে।যদিও তাদের অভিযোগ খুন করে তার মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
দোষীদের সঠিক বিচারের দাবি তোলেন মৃতার পরিবার।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলঙ্গী থানার পুলিশ। মৃতা বধূর দেহ উদ্ধার করে ময়নতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খুন না আত্মহত্যা? তা জানার চেষ্টায় তদন্তকারীরা। পাশাপশি পলাতক স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।