নিজস্ব প্রতিনিধি: মোবাইল ফোনের সিমকার্ড নিয়ে জালিয়াতির দায়ে বেলডাঙ্গা থেকে থেকে আশিক ইকবাল ও তার ভাই বুরহান শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অন্যের পরিচয়পত্র দিয়ে সিম জোগাড় করতেন। শুধু তাই নয় পরে সেই এক একটি সিম বিক্রি করতো তিন থেকে চার হাজার টাকায়। কিন্তু কেন কেউ দুশ টাকার জিনিস কিনবে তিন কিংবা চার হাজার টাকায়? তবে পুলিশের মনে ইতিমধ্যেই উঠেছে এক গভীর প্রশ্ন। অ্যাক্টিভ সিম কার্ড, জঙ্গিদের হাতে চলে যেত না তো? যদিও পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝুনকা মোড়ে একটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে আশিক ইকবাল ও তার ভাই বুরহান শেখকে আটক করে। ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে চারটি কিপ্যাড মোবাইল ফোন। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে মোট ৩১১টি সিম কার্ড। যার মধ্যে ভোডাফোন আইডিয়া সিম ২৭১টি, বিএসএনএলের ২৯টি, এয়ারটেলের একটি এবং জিওর সাতটি সিম রয়েছে। এছাড়া আইডিয়ার সিম পাওয়া গিয়েছে ৩ টি। যদি ধৃত দুই ভাইয়ের সাথে সত্যি কোনও জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সাইবার প্রতারকরা এইসব সিম কার্ড গুলি কিনতো এবং রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্যে ও বিক্রি করে দিত। যেহেতু ভুয়ো সিম কার্ড তাই এগুলি দিয়ে সাইবার প্রতারণা করা বেশ সহজ ।
সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক বছর ধরেই মোবাইল ফোনের সিমকার্ড নিয়ে জালিয়াতির রমরমা চলছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সিম জালিয়াতির দায়ে একাধিক ব্যাক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার মহামপুর গ্রাম থেকে মোমিন মল্লিক ও হোসেন মল্লিক নামে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১১৮৩ টি সিম কার্ড এবং ১১টি কি প্যাড মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল