নিজস্ব প্রতিনিধি : রেল যাত্রীদের সুবিধার্থে একাধিক দাবি-দাওয়া নিয়ে ফারাক্কা রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের সাঁকো পাড়া হল্টে রেল অবরোধ। সকাল সাতটা নাগাদ রেল অবরোধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রেলওয়ে স্টেশনে জমায়েত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল পৌনে আটটা নাগাদ একটি মালগাড়িও আটকে দেওয়া হয়েছে।এই মুহূর্তে অবরোধকারীদের সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষের দফায় দফায় আলোচনা চলছে। আজকের এই রেল অবরোধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শহিদুল মাস্টার।
অবরোধকারীদের দাবি, সাঁকো পাড়া হল্টকে পূর্ণাঙ্গ স্টেশনের রূপ দিতে হবে। হাওড়া কাটিহার এক্সপ্রেসের স্টপেজ পুনরায় বহাল করতে হবে। যাত্রী পরিষেবার সুবিধার্থে রেলওয়ে স্টেশনের পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটাতে হবে। ফরাক্কা রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই অবরোধ কর্মসূচি করা হয়েছিল। দফায় দফায় স্লোগান ওঠে। অবরোধ রুখতে প্রচুর রেল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল আঁটসাঁটো।
বিক্ষোভকারীদের আরও দাবি, আগে সাঁকোপাড়া হল্ট স্টেশনে কাটিহার এক্সপ্রেস-সহ একাধিক ট্রেন দাঁড়াত। কিন্তু কোভিডকালে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু আর কাটিহার এক্সপ্রেস সেখানে দাঁড়ায় না। ফলে এলাকাবাসীকে অনেক দূরে গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়। যা সকলের পক্ষে সম্ভবপর হয় না।
এই নিয়ে বিক্ষোভকারীরা মালদার ডিআরএম-কে লিখিতভাবে একটা চিঠিও লেখে। ওই চিঠিতে জানানো হয়েছিল সাঁকোপাড়া হল্ট স্টেশনে কাটিহার এক্সপ্রেস স্টপেজ যেন দেওয়া হয়।কিন্তু তাতেও লাভ না হওয়ায় তাঁরা অবরোধের পথে হেঁটেছেন।
এদিকে বিক্ষোভ ঠেকাতে ও রেল পরিষেবা চালু করার জন্য ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মালদা ডিভিশনের এডিআরএম শিবকুমার প্রসাদ। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রেন অবরোধের পর রেলের আধিকারিকদের পক্ষ থেকে কাটিহার এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় বিক্ষোভকারীদের। এরপরেই অবরোধ তুলে নেন তাঁরা।