নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে, ঘুরে গিয়েছে বছর, তবুও বের হয়নি ফলাফল। ২০২৩ সালের টিচার এলিজেবিলিটি টেস্ট (টেট)-এর পরীক্ষা দিয়ে ফলের আশায় প্রহর গুনছেন পরীক্ষার্থীরা। কবে প্রকাশিত হবে ফলাফল? এবার তারই জবাব দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল।
সভাপতি গৌতম পাল জানান, “বেশ কিছু বিষয়ে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিছু পরীক্ষার্থী আদালতে প্রশ্ন নিয়ে চ্যালেঞ্জও করেছিলেন। এগুলি বেশিরভাগই ২০১৭ এবং ২০২২ সালের টেটের। পূর্বের ওই আইনি জটিলতা না মিটিয়ে ২০২৩ সালের টেটের ফল প্রকাশ করা হবে না।”
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর টেট হয়। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭ লক্ষের মতো। উত্তীর্ণ হন প্রায় দেড় লক্ষ পরীক্ষার্থী। ওই বছর পর্ষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর বছরে দু’বার টেট গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন সভাপতি। সেই মতো ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৫৪ জন রেজিস্ট্রেশন করলেও পরীক্ষায় বসেন ২ লক্ষ ৭২ হাজার জন। পরীক্ষার পর বছর ঘুরতে চললেও এখনও ফলপ্রকাশ করতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, ২০১৭ সালের টেটে ২৩টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। আর ২৪টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে ২০২২ সালের টেটে। সেই প্রশ্ন ভুল অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছে পর্ষদ।এই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে বিশদে রিপোর্ট প্রকাশ করবে ওই কমিটি। ওই আইনি জটিলতা মিটিয়ে তবেই ২০২৩ সালের টেটের ফল প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি, ২০২৩-এর টেটের প্রশ্ন নিয়েও মামলা হয়েছে। এ নিয়েও আইনি পরামর্শ গ্রহণ করছে পর্ষদ।