নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ২১ জুলাই সভা প্রস্তুতি পর্বে দেখা যায়নি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর কদমে আলোচনা। এই আবহে ২১ জুলাই সকালে দলীয় মুখপত্রে বিশেষ বিভাগে লিখলেন অভিষেক। আর তার প্রতিবেদনের শিরনামে লেখা রয়েছে, ‘২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল উপভোগ করার, কিন্তু আত্মসন্তুষ্টি নয়।‘
অভিষেক লেখার মধ্যে একদিকে যেমন ২১ জুলাইয়ের কথা উল্লেকহ করেছেন। ঠিক তেমনি তিনি লেখার মধ্যে দিয়ে জাতীয় এবং রাজ্য রাজনীতির বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। বলা বাহুল্য, এই প্রথম নয় আজকের এই বিশেষ দিনেও ২০২৩ সালে মুখপত্রে লিখেছিলেন অভিষেক। তবে সেই সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির অনেকটাই হেরফের হয়েছে। গতবছর রাজ্যে বিরোধী দল হিসাবে বিজেপির কিছুটা অস্তিত্ব থাকলেও চলতি বছর তা নেই । কারণ, লোকসভা নির্বাচনে বাংলা সহ গোটা দেশে সংখ্যাগরিষ্টতা লাভ করতে পারেনি মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। এনডিএ জোটের ওপর ভরসা রেখে সরকার গঠন করতে হয়েছে বিজেপিকে। তাই ২১ জুলাইয়ের দিন মুখপত্রের বিশেষ বিভাগে ‘এনডিএ সরকার’ কথাটি উল্লেখ করেছেন অভিষেক। আর সেখানে রামমন্দিরের ভূমি অযোধ্যায় পদ্মশিবিরের পরাজয় থেকে শুরু করে নিট এবং নেট পরীক্ষায় দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, এদিনের অভিষেকের লেখা থেকে একটা জিনিস খুবই স্পষ্ট ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটকে মূল লক্ষ্য রাখছে ঘাসফুল শিবির । তাই শুধুমাত্র সংগঠন দিয়ে ‘প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা’ মোকাবিলা করা যাবে না বলেই মনে করেন তৃণমূলের সেনাপতি। কাজ করতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে। কাজ করতে হবে মন্ত্রী এবং আমলাদের। তবে রবিবার ২১ জুলাইয়ের সভা মঞ্চে অভিষেক হাজির হন কি না। হাজির হলে ভাষণ দেন কি না। সেটাই এখন মূল দেখার বিষয়।