নিজস্ব প্রতিনিধি : ডিএ মামলায় ফের সুপ্রিমকোর্টে রাজ্য। সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ রাজ্য। ডিএ নিয়ে বড় খবর এল প্রকাশ্যে। শুক্রবারই শেষ হচ্ছে সুপ্রিমকোর্টের দেওয়া সময়সীমা। তার আগেই সময় চেয়ে সুপ্রিমকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছে রাজা। ৬ মাস সময় আরও চাওয়া হয়েছে রাজ্যের পক্ষ থেকে।
রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, ডিএ দেওয়া বিষয়ে কিছু ক্ষেত্র বিচার করতে হবে তারজন্য সময় দরকার। তাই ৬ মাস সময় চেয়েছে রাজ্য। ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে জুন মাসের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ। এই নির্দেশের পর থেকে প্রায় ১০ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। স্বভাবতই বর্তমানে রাজ্যে বহুলচর্চিত বিষয় হল এই ডিএ। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা চলেছে নবান্নেও।
কয়েকদিন আগেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সুপ্রিমকোর্টে সময়সীমা আরও বাড়ানোর আর্জি নিয়ে দ্বারস্থ হয় কিনা সেই দিকেই লক্ষ্য রেখেছিল সরকারি কর্মচারীরা। সেই পথেই হেঁটেছে রাজ্য। শুক্রবারের আগেই নবান্নের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আশা করেছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা। কিন্তু তা সফল হয়নি।
চায়ের দোকান থেকে সরকারি অফিস সর্বত্র যখন চর্চা অব্যাহত তখন ফের একবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্যে সরকার। বকেয় মহার্ঘ ভাতা মেটানো নিয়ে আরও সময় চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেছে তারা। মূলত তারা জানিয়েছেন, বেশকিছু সমস্যা রয়েছে, সেইগুলো দেখে তবে ডিএ দেওয়া সম্ভব। রাজ্যকে ২৫ শতাংশ ডিএ মিটিয়েই দিতে হবে বলে জানিয়েছিল আদালত।
২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএর পরিমাণ ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ, মেনে ২৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা চলতি জুন মাস শেষ হওয়ার আগেই মিটিয়ে দিতে হবে রাজাকে।