নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আত্মহত্যা নয় ট্যাংরায় তিন জনকেই খুন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য । সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে , ২ গৃহবধূ রোমি দে এবং সুদেষ্ণা দের হাত ও গলার নলি কেটে খুন করা হয়। আর বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে কিশোরি প্রিয়ংবদার । তবে কারা এই হত্যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তা এখন জানা যায়নি।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টের তথ্য অনুসারে, প্রিয়ংবদার হাতে ও পায়ে কালশিটে দাগ রয়েছে। পেটে আধা হজম হওয়া খাবারের নমুনাও পাওয়া গিয়েছে। শেষ খাবার খাওয়ার ৩-৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রাণ হারান কিশোরি । তাই খাদ্যের বিষক্রিয়ার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে । সেইসঙ্গে রিপোর্টে এও জানান হয়েছে ময়নাতদন্ত হওয়ার ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনজন প্রাণ হারান তিনজন ।
অন্যদিকে বুধবার অভিষিক্তা মোড়ের কাছে একটি স্তম্ভে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায় একটি গাড়ি। তাঁর ভিতরেই ছিলেন প্রণয়, প্রসূত এবং ওই কিশোর। বর্তমানে তাঁর ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে । আর তাদের কাছ থেকেই জানা যায় ট্যাংরায় দে পরিবারের বাড়িতে পড়ে রয়েছে এক কিশোরী-সহ তিন মহিলার দেহ । তাদের যুক্তি , সোমবার রাতে কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ ও প্রেশারের ওষুধ মেশানো পায়েস খেয়েছিলেন পরিবারের ৬ সদস্য। মঙ্গলবার সকালে প্রসূনের মেয়ে প্রিয়ম্বদা বমি করে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। তাকে মৃত ভেবে পরিবারের বাকি সদস্যরা নিজেদের হাতের শিরা কেটে ফেলে। ইতিমধ্যেই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে । এই আবহে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ।