নিজস্ব প্রতিনিধি : এনআইএ (NIA) অফিসে হাজিরা দিলেন মোমিনপুরের ট্র্যাভেল এজেন্সির মালিক। সোমবার তাকে তলব করেছিল এআইএ। সেই তলবের সময় মেনে সোমবার হাজিরা দিয়েছেন ট্র্যাভেল এজেন্সির মালিক মাসুদ আলম (Masood Alam) । জানা গিয়েছে তার নিরাপত্তারক্ষীকে তলব করা হয়েছে। খিদিরপুরের আরও এক ব্যবসায়ী মহম্মদ ইজাজ আলিকেও তলব করা হয়েছে।
পাক গুপ্তচরদের বিষয়ে তথ্য জানতে দেশের একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়েছে এনআইএ (NIA) । কলকাতায় ৩ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনআইএ। তারপরেই একাধিক বিষয়ে এনআইএ-র হাতে এসেছে। পাক অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে দফায় দফায় টাকা ঢুকেছে তাঁর অ্যাকাউন্টে। সেই লেনদেন অত্যন্ত সন্দেহজনক। সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁকে তলব করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত ৩১ মে দেশের ১৫টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ। মোমিনপুরের এই ট্র্যাভেল এজেন্টের অফিসেও হানা দিয়েছিল এনআইএ (NIA) । সেখানেই মালিককে নোটিশ দিয়ে বলা হয়েছে সোমবার হাজিরা দিতে। সেই মতো এনআইএ দফতরে হাজিরা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, নিরাপত্তারক্ষী ওয়াকিলের মারফৎ টাকা লেনদেন হয়েছিল। টাকা লেনদেন হয়েছিল ধৃত মোতিলাল জাটের সঙ্গে। এনআইএ সিআরপিএফ জওয়ান মোতিরাম জাটকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে পাকিস্তান গুপ্তচরবৃত্তির সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। মাসুদ আলমের এজেন্সির মাধ্যমে টাকা লেনদেন হত। তাঁর একাধিক মোবাইল, ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। সোমবার তিনি হাজিরা দিয়েছেন। সেখানেই লেনদেন সংক্রান্ত সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
যেসকল নথি পাওয়া গিয়েছে, তার থেকেই জিজ্ঞাসাবাদ হবে বলে জানা গিয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে কারা করা জড়িত? তাঁর এজেন্সির মারফৎ কেন টাকা লেনদেন হত ? কোথা থেকে কীভাবে টাকা লেনদেন করা হত? সবটাই জানতে চাইবেন এনআইএ তদন্তকারীরা।