নিজস্ব প্রতিনিধি: আরজি কর-কাণ্ডে কলকাতা থেকে দিল্লি, গোটা দেশ বিক্ষুব্ধ। প্রতিবাদে নামছে তরুণ চিকিৎসকরা। কেউ কেউ পথে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয়েছেন, আবার কেউ ধর্মঘটে নেমেছেন। জায়গায় জায়গায় প্রতিবাদ এর প্রশ্ন একটাই, মেয়েরা কোথায় সুরক্ষিত? আর এই বিষয়ের প্রতিবাদ আর এক ধাপ এগোবে ১৪ অগস্ট রাত ঠিক ১১.৫৫ মিনিট নাগাদ। নারীর দখলে রাত, হ্যাঁ এটাই শিরোনাম সমাবেশের। নারী তুমি দুর্বল নও, প্রয়োজনে নির্জন, নিরালা রাতও একা দাপিয়ে বেড়াতে পারেন নারী। প্রয়োজনের পুরুষরাই নারীকে ভয় পাবে, এর প্রতিবাদেই আজ প্রতিবাদী মিছিল হবে তিলোত্তমা র আশেপাশের শহরগুলিতে। স্টেশনে স্টেশনে শুধু নারীদের ভিড়। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, এই আন্দোলন সামিল তারকারাও। আর মেয়েদের রাত দখলে সামিল হয়েছে কলকাতা মেট্রোও। অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাড়ানো হয়েছে রেল পরিষেবাও। যাই হোক, এই মূহুর্তে আরজি কর-কাণ্ড সিবিআই তদন্তাধীন।
টলিউড ইন্ডাস্ট্রিও সরব তরুণী চিকিৎসককে হত্যার দায়ে। ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে জিত, দেব, ঋতুপর্ণা, আবির-সহ একাধিক তারকা। এবার সর্বশেষ মুখ খুললেন টলি সুপারস্টার জিত। আর আগামিকাল ভারতের ৭৮ তম স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু আজও কি আমরা স্বাধীন? প্রশ্ন তুললেন জিৎ, সত্যিই কি আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি? সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব কম থাকেন অভিনেতা। অভিনয় ও ছবির কাজ ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে কখনই সোশ্যাল মিডিয়া দখল করেন না সুপারস্টার। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি স্পিকটি নট জিত। কিন্তু এবার আরজি কর কাণ্ড নিয়ে চুপ থাকতে পারলেন না জিত, সরব হলেন সমাজমাধ্যমে। জিৎ তাঁর পোস্টে ইংরেজিতে লিখেছেন, “আগামিকাল স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু তারপরেও একটা প্রশ্ন থেকেই যায়, আমরা কি আদেউ স্বাধীন হয়েছি? কেন আজও মহিলারাই নিশানা হন পুরুষতান্ত্রিক সমাজে? কেন মহিলাদের উপরেই মর্মান্তিক অত্যাচ্যার করা হয়? এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ বন্ধ করতে সমাজ হিসাবে ঠিক কী করা উচিত সমাজের, নারীদের?”
এরপর আরজি করের ঘটনায় ক্ষোভ উগরে জিৎ বলেন, “আমি কল্পনাও করতে পারি না, নিরীহ মেয়েটি কী ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়ে গিয়েছে। ওর পরিবার এখন কী যন্ত্রণা সহ্য করছে! জানি আমরা কোনও ভাবেই ওদের যন্ত্রণা মেটাতে পারব না। আরজি কর হাসপাতালে যা হয়েছে, তা নিয়ে আমি স্তম্ভিত ও হতভম্ব। এখন একটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মহিলাদের সুরক্ষা। তাই সকলকে অনুরোধ করব, এই ঘটনার যেন সুবিচার হয়। অপরাধীকে যেন উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়।”