নিজস্ব প্রতিনিধি, মুকুন্দপুর: হাসপাতালের বাকি টাকা মেটাতে বলায় শুরু হয় বচসা। সেখান থেকেই মারধরের অভিযোগ। সোমবার রাতে মুকুন্দপুরের বাইপাসের ধারে এক নামকরা বেসরকারি হাসপাতালে ঘটে এই ঘটনা। জানা গিয়েছে, মে মাসের ৩ তারিখ থেকে পূর্বালক এলাকার বাসিন্দা তমাল দাস কিডনির সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। রোগীর বয়স ৭৬ বছর।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তমাল দাসের বেড ভাড়া ও চিকিৎসা বাবদ বিল হয়েছে মোট ১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা। রোগীর পরিবার ইতিমধ্যেই কিছু টাকা জমা দিয়েছে। আর বাকি ৭০ হাজার টাকা। এই বাকি টাকা যখন হাসপাতাল থেকে মিটিয়ে দিতে বলা হয় তখনই রোগীর পরিবার হুমকি দিতে শুরু করে। সূত্রের খবর, হাসপাতালের সঙ্গে বচসার মাঝেই এলাকার লোকজন নিয়ে এসে ভাঙচুর শুরু করে তারা। অভিযোগ করা হয়, হাসপাতাল ভাঙার পাশাপাশি রোগীর পরিজনরা সেখানে উপস্থিত কয়েকজনকে মারধরও করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হাসপাতাল এলাকা। সঙ্গে সঙ্গে খবর চলে যায় পুলিশের কাছে।
সূত্রের খবর, পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে চলে আসে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। হাসপাতালের ম্যানেজার সঞ্জীব সেনগুপ্ত এই বিষয় পুলিশকে জানান, “রোগীর অনেক টাকা বকেয়া হয়ে যায়। এখনও ওনার ৭০ হাজার টাকা মতো বাকি। সেটা আমরা দিতে বলি। বারবার বোঝাই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত উনি বিরক্ত হয়ে গিয়ে উনি চিকিৎকার-চেঁচামেঁচি শুরু করে দেন। ওনার পাড়া থেকে ৩০ থেকে ৪০ জন লোক এসে যায়। আমাদের নার্সদের গায়ে হাত দেওয়া হয়। এখানে যে মহিলা স্টাফ রয়েছে তাঁদের গায়ে হাত দেওয়া হয়। হাসপাতালের অনেকে আহত হয়েছে। তারপরই আমরা পুলিশকে খবর দিই।”