Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আরজি কর-কাণ্ডে শাসক-বিরোধীদের নিশানা অভিনেতা পরমব্রতর

কেউ তাঁকে খাওয়াও না, পড়ায়ও না। শাসক-বিরোধী কারোর মিটিং-মিছিলেও তাঁকে কখনও দেখা যায়না। তাহলে বার বার কেন এই কথা তাঁকে শুনতে হয়?

Share:

নিজস্ব প্রতিনধি: আরজি কর-কাণ্ডে প্রতিবাদী আওয়াজ তুলছে সকল মহল। সাধারণ মানুষ থেকে তারকা মহল রীতিমতো ক্ষেপে উঠেছে প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। শাসক ও বিরোধী কাউকেই ছাড়ছে না কেউ। শুটিং বন্ধ করে পড়ুয়া চিকিৎসকদের সঙ্গে পা মিলিয়েছে তারকারা। আরজি কর-কাণ্ডে সকলের একটাই দাবি, ‘বিচার চাই’। গত ১৪ অগস্ট ঘুম উড়িয়ে মেয়েদের রাত দখলের লড়াই দেখেছে গোটা দেশ। নারী স্বাধীনতার জন্যে এখন রাত-দিন এক করেছে সাধারণ মানুষজন। প্রতিবাদে পথে নেমেছেন আমজনতা থেকে তারকারা। ‘মেয়েদের রাত দখল’-এর রাতে সস্ত্রীক পথে নেমে ছিলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। আরজি কর-কাণ্ডে শুরু থেকেই প্রতিবাদের সুর চড়িয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, মিমি চক্রবর্তীরা। তবে পরমব্রত কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে নয়, মুলত একাই প্রতিবাদে আওয়াজ তুলছেন। বিষয়টি রবিবার স্পষ্ট করলেন অভিনেতা। কারণ বিভিন্ন সময়ই অভিনেতাকে শুনতে হয়েছিল তিনি ‘শাসকদলের সমর্থক’।

এমনকি আরজি কর-কাণ্ডে কিছু অভিযোগের সঙ্গে সহমত না হওয়ার কারণে তাঁকে সমালোচনারও শিকার হতে হয়েছে। এ বার নিজের অবস্থান নিজেই স্পষ্ট করলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এমনকী রাজ্যের বিরোধী দলগুলিকেও বিঁধতে ছাড়লেন না অভিনেতা। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় একটি লম্বা পোস্ট করে পরমব্রত জানালেন, তিনি মোটেও রাজ্যের শাসকদলের ঘনিষ্ঠ নয়, কেন এই তকমা বার বার তাঁর গায়ে লাগে জানেন না! অতীতেও বহু বার হয়েছে! তিনি শাসকদলের সদস্য বা কর্মীও নন, আর নেতা-মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠও নন। না তিনি তাদের একনিষ্ঠ সমর্থক নন। কেউ তাঁকে খাওয়াও না, পড়ায়ও না। শাসক-বিরোধী কারোর মিটিং-মিছিলেও তাঁকে কখনও দেখা যায়না। তাহলে বার বার কেন এই কথা তাঁকে শুনতে হয়? রাজ্যের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধেও পরমব্রত একাধিক প্রশ্ন তুলে বলেছেন, রাজ্যের বিরোধী দলগুলির সমর্থকেরা যদি প্রত্যাশা করেন সবাই তাদের সুরেই গলা মেলাবেন, তা হলে তো ভুল। প্রত্যেকের ভাবনাচিন্তা ভিন্ন! আদর্শের জায়গা থেকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের বিপরীত মেরুর লোক তিনি। এই পরিস্থিতিতে, তিনি সাধারণ মানুষের সবপক্ষের দাবির সঙ্গে সহমত। 

এছাড়াও অভিনেতা লিখেছেন, “উন্নাওয়ের সময়, হাতরাসের পরে, কিংবা মণিপুরের ঘৃণ্য ঘটনায়, আসিফার মৃত্যুর পর, এমনকি তিন-চার দিন আগে মুজফ্ফরনগরের ঘটনায় এ ভাবে এতটা ফেটে পড়েননি কেন? ওইগুলোও নারকীয়, আরজি করের ঘটনাও তাই। ওগুলির সমর্থনে যুক্তি সাজানোর বা ধামাচাপা দেওয়ার কোনও অবকাশ নেই, ঠিক যেমন আরজি করে ঘটনাতেও নেই। নিরপেক্ষ এবং দ্রুত বিচার হওয়া দরকার ছিল, এখানেও!”

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00