নিজস্ব প্রতিনিধি,বাঁকুড়া: জন্ম হয়েছিল প্রায় একসঙ্গে, শুধু কয়েক সেকেন্ড এদিক ওদিক। ছোট থেকেই একসঙ্গে খেলাধুলা, পড়াশোনা। তাদের টান যাকে বলে আত্মিক টান। দুবছর আগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক ভাই হয়েছিল চতুর্থ, অন্য ভাই ষষ্ঠ। এই টুকু পার্থক্যও বোধহয় মন থেকে মানতে পারেনি অনিক আর অনীশ। তাই উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে তো থাকলেনই, র্যাঙ্কও হল এক।
মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে যমজ দুই ভাই। বাঁকুড়ার বাসিন্দা নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র অনীশ ও অনিক বারুই। ২০২৩ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে চতুর্থ ও ষষ্ঠ স্থানে পেয়েছিল তাঁরা। উচ্চ মাধ্যমিকেও থাকল মেধাতালিকাতেই। দু’জনেই পেল নবম স্থান। দুজনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। শতাংশের বিচারে ৯৭.৮ শতাংশ।
ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার দিকে খুব আগ্রহ। কোনওদিন বলতে হত না পড়তে বসার কথা। পরিবারের সদস্যরা জানতেন মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিকেও ভাল ফল করবে ছেলেরা। তাই হল। তবে দুজনেই যে একই নম্বর পাবেন তা কল্পনাতেও ছিল না। স্বভাবতই পরিবার, পাড়া প্রতিবেশী অত্যন্ত খুশি।
এছাড়াও উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় থেকে রয়েছে অদ্রিচ গুপ্ত এবং রফিদ রানা লস্কর। দুজনেই ৪৯০ পেয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছেন। অদ্রিচ ও রফিদও নরেন্দ্রপুর থেকে মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় ছিল।
বিপ্রদীপ জানা, সৌম্যসুন্দর রায়, অঙ্কুর ঘোষ, জিষ্ণু ঘোষ, নাজফর রহমান, সায়ক বিশ্বাস, সত্যম বণিক, আদ্রিজা জানা, পবিত্র মণ্ডল, অর্ক মণ্ডল, তনয় টিকাদার, অনীক বাড়ুই, অনীশ বাড়ুই, শৌনক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৃজিতা দত্ত, সপ্তর্ষি পাঁজা সকলেই চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকে নবম স্থানে রয়েছেন।