নিজস্ব প্রতিনিধি: দুই মেদিনীপুরের সরকারি হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার স্বার্থে কাজে লাগানো হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাকে(Security Agency)। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর অভিযোগ। বেআইনিভাবে ওই নিরাপত্তা এজেন্সি কাজ পেয়েছে বলে দাবি উঠেছিল। মামলার জল গড়ায় হাইকোর্ট(Kolkata High Court) অবধি। এই মর্মে পূর্ব মেদিনীপুর(East Midnapore) ও পশ্চিম মেদিনীপুর(West Midnapore) এই দুই জেলায় ওই নিরাপত্তা এজেন্সির যাবতীয় বরাত বাতিল করল হাইকোর্ট। ইতিমধ্যেই ওই সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই এজেন্সিকে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলির মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদেরও।
আরও পড়ুনঃ ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপে লাটে উঠেছে আলু চাষ, মাথায় হাত কৃষকদের
মামলাকারীর বক্তব্য, টেন্ডার অনুযায়ী, দুই মেদিনীপুরের হাসপাতালগুলির নিরাপত্তামূলক কাজের দায়িত্ব পাওয়ার কথা ‘এমএম সিকিউরিটিস’-এর। তাঁরাই এই কাজের প্রকৃত প্রাপক। কিন্তু তাঁদের এই কাজের বরাত দেওয়া হয়নি। গত ২১শে অক্টোবর একটি নোটিস দিয়ে বাদ দেওয়া হয় ওই সংস্থাটিকে। আপাতত সেই নোটিসও স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানতে চেয়েছে যে ওই সংস্থা বরাত পেয়েছিল কিভাবে? কোন পদ্ধতিতে, কিসের ভিত্তিতে এবং কার সুপারিশে তাদের ওই বরাত দেওয়া হয়েছে! এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর পাশাপাশি কেন এমন একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল, আদালতে তা হলফনামা আকারে জানাতে হবে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।
আরও পড়ুনঃ মহিলা রোগীকে অজ্ঞান অবস্থায় ধর্ষণ, গ্রেফতার হাসনাবাদের চিকিৎসক
মামলায় এটুকু স্পষ্ট যে বৈধ পদ্ধতি মেনে ওই টেন্ডার পাশ করানো হয়নি। দুই জেলার হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই মামলায় মঙ্গলবার হাইকোর্ট জানায়, বিধি মেনে যে ওই সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, তা প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত। হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের নির্দেশ, টেন্ডারে উত্তীর্ণ ব্যক্তিকে কাজে বহাল রেখে অসফল ঠিকাদারদের কাজ দেওয়ার নির্দেশ এখনই বাতিল করতে হবে। ঘটনার ফলস্বরূপ বৈধ উপায়ে দায়িত্ব পাওয়া ‘এমএম সিকিউরিটিস’-এর নিরাপত্তারক্ষীদের কাজে লাগানো হবে খুব শীঘ্রই।