নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহিষাদলে রদবদল। আরও বেশি করে প্রাণশক্তি পেল শাসক দল তৃণমূল। বিধায়ক তিলক চক্রবর্তীর হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করলেন বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্য। এর ফলে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙ্গন ধরল মনে করছেন শাসক নেতারা।
মহিষাদল ব্লকের বেতকুণ্ডু গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ নম্বর বুথের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন চিত্তরঞ্জন মাইতি। তিনি আগে তৃণমূল করতেন। পরে তাকে ‘ভুল’ বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তৃণমূলের দাবি। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার রাতে তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তীর হাত ধরে ফের তৃণমূলে যোগদান করেন বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি ছাড়াও আরো বেশ কয়েকজন তৃণমূলে যোগদান করেন।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধানও তৃণমূলে যোগদান করেন। ফলে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে গেল বলে মত মমতা ঘনিষ্ঠ নেতাদের। এদিনের যোগদানে তৃণমূল তিলক চক্রবর্তী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদর্শন মাইতি, মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাস সহ অন্যান্যরা।
তৃণমূলে নিজ যোগদান সম্পর্কে বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপি যেভাবে ধর্মের নামে রাজনীতি করছে তাতে কোনো মানুষ বিজেপিতে থাকতে চাইছেন না। আগামী দিনে মহিষাদল ব্লকে আর বিজেপি থাকবেনা। তাই বিধায়ক থেকে পঞ্চায়েত সদস্য সকলেই তৃণমূলে যোগদান করছেন।” যোগ দেওয়া পঞ্চায়েত সদস্য জানিয়েছেন, “তৃণমূলের উন্নয়ন যজ্ঞে সামিল হতে এই যোগদান।”
বিজেপি নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায এ বিষয়ে বলেন বিজেপির জন প্রতিনিধিদের ভয় দেখিয়ে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে নিজেদের দলের দিকে টানছে তৃণমূল। আসলে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। ২০২৬ তার যোগ্য জবাব দেবে।