নিজস্ব প্রতিনিধি : এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ঘরের মাঠ অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে বায়ার্নকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বার্সা। ৯ বছর পর জয়ের মুখ দেখল তারা। বলা যেতে পারে প্রতিযোগিতাটিতে সব মিলিয়ে বায়ার্নের বিপক্ষে ১৪ ম্যাচে বার্সেলোনার তৃতীয় জয় এটি, হার ১০টি, বাকি একটি ড্র।
রাফিনিয়া বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেওয়ার পর সমতা টেনেছিল হ্যারি কেইন। রবের্ত লেভানদোভস্কির গোলে স্বাগতিকরা ফের এগিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধেই ব্যবধান বাড়িয়েছিল রাফিনিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তিনি পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। মাত্র ৩৯ শতাংশ সময় বল পায়ে রাখা বার্সেলোনা পাল্টা আক্রমণনির্ভর কৌশলে খেলে। তারা গোলমুখে ১২টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখে চারটি। সবকটিই সফল হয়। বিপরীতে, ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যদের ১১টি শটের তিনটি ছিল লক্ষ্যে। রক্ষণের পেছনে অনেক জায়গা পেয়ে সুযোগ কাজে লাগায় বার্সেলোনা।
৩৬তম মিনিটে আবার লিড নেয় বার্সেলোনা। ডিফেন্ডার কিম মিন-জে ঠিকঠাক হেড করতে পারেননি ইয়ামালের ক্রসে। কিমের পেছনে থাকা মিডফিল্ডার ফারমিন ডি-বক্সে ঢোকার পর নয়্যারকে এগিয়ে আসতে দেখে ফ্লিক করেন। সৌভাগ্যক্রমে বল চলে যায় বাঁদিকে ফাঁকায় থাকা লেভানদোভস্কির কাছে। লক্ষ্যভেদ করতে কোনো ভুল করেননি তিনি।৩৬তম মিনিটে আবার লিড নেয় বার্সেলোনা। ডিফেন্ডার কিম মিন-জে ঠিকঠাক হেড করতে পারেননি ইয়ামালের ক্রসে। কিমের পেছনে থাকা মিডফিল্ডার ফারমিন ডি-বক্সে ঢোকার পর নয়্যারকে এগিয়ে আসতে দেখে ফ্লিক করেন। বায়ার্নের বিপক্ষে গোলের জন্য ১২টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে বার্সেলোনা, সবকটিই সফল হয়েছিল।
৫৬তম মিনিটে আরেকটি চমৎকার গোলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রাফিনিয়া। মাঝমাঠ থেকে ইয়ামালের ক্রস বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি, সঙ্গেই লেগে ছিল প্রতিপক্ষের দুজন। তাদের সুযোগ না দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ২৭ বছর বয়সী ফুটবলার।
তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ১০ নম্বরে উঠেছে বার্সেলোনা। টানা দ্বিতীয় হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ২৩ নম্বরে আছে বায়ার্ন। অবশ্য ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব আসরে বাভারিয়ানদের বিপক্ষে বার্সেলোনার আগের জয়টি এসেছিল ২০১৫ সালের মে মাসে। সেবার সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ক্যাম্প ন্যুতে ৩-০ গোলে জিতেছিল স্প্যানিশ দলটি।