নিজস্ব প্রতিনিধি : গ্রেপ্তার হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের প্রাক্তন শীর্ষ বোলার লনওয়াবো সতসবে। তবে শুধু তিনি একা নন,এর সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন টেস্ট ক্রিকেটার থামি সোলেকিল এবং এলি এমবালাতিকেও। এই তিন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নির্মূল আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১৬ ও ২০১৭ সালে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা(সিএসএ)ঘরোয়া টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ফিক্সিং–চেষ্টার কারণে যে ৭ ক্রিকেটারকে বিভিন্ন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, সতসবে, সোলেকিল ও এমবালাতি তাঁদের অন্যতম।সেকশন ১৫-এর আওতায় পড়ে ক্রীড়া ইভেন্টে দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম, যেটির মধ্যে রয়েছে ওই ক্রীড়া ইভেন্টের সততাকে অবমূল্যায়ন করা বা খেলার ধারাকে প্রভাবিত করার জন্য কাউকে কোনো প্রস্তাব দেওয়া বা কারও কাছ থেকে নেওয়া।দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম ও লড়াইয়ের জন্য ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা আইনের সেকশন-১৫ অনুযায়ী ৫টি অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরদ্ধে।
প্রাক্তন কিপার সোলেকিলে ২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি টেস্ট খেলছিলেন মার্ক বাউচারের চোটের সুযোগে। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলে খেলেছেন তিনি অনেক দিন, নেতৃত্বও দিয়েছে। ১৬০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা কিপার ঘরোয়া ক্রিকেটে ছিলেন কিংবদন্তি।
এমবালাতি নানা সময়ে জাতীয় দলের প্রাথমিক ও মূল স্কোয়াডে এলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাননি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১২৯ ম্যাচ খেলে ৩৬৪ উইকেট নিয়েছেন ৪৩ বছর বয়সী প্রাক্তন পেসার, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে উইকেটে ১৫০টি। ২০১৫-১৬ মৌসুমের র্যাম স্ল্যাম চ্যালেঞ্জে(ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট) দুর্নীতিতে জড়ানোর দায়ে অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ গুলোর ভিত্তিতে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে পর্যায়ক্রমে সাত ক্রিকেটারকে নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা।