Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঊর্বশীকে প্রত্যাখ্যান করায় পুরুষত্ব হারিয়েছিলেন মহাবীর অর্জুন- জানুন অজানা কাহিনী 

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : মহাভারতে অব্যর্থ ধনুর্বিদদের নাম উঠলে তাঁদের মধ্যে তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুন অন্যতম। তিনি ছিলেন জগদ্গুরু শ্রী কৃষ্ণের সখা। অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণকালে পাখির চোখ থেকে শুরু করে স্বয়ংবর সভায় মাছের চোখে লক্ষ্যভেদ পর্যন্ত নানা অসাধ্য সাধন করলেও সেই বীর অর্জুনকেই একবার নপুংসক হতে হয়েছিল। কিন্তু কেন কিরীটীর এমন দশা হয়েছিল? এর নেপথ্যে কী এমন কাহিনী রয়েছে ?

পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, একদা মহাভারতের বনপর্বে মহাদেব, বরুণ, কুবের ও যমের কাছ থেকে বিভিন্ন দিব্যাস্ত্র প্রাপ্ত হওয়ার পর অর্জুন দেবরাজ ইন্দ্রের কাছে অস্ত্র প্রার্থনা করেছিলেন। তাই ইন্দ্র তাঁকে দেবলোকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন এবং সেখানেই তাঁকে দিব্যাস্ত্র প্রদান করবেন বলে জানালেন। এরপর ইন্দ্র-প্রেরিত রথে চড়ে অর্জুন দেবলোকে গেলেন। সেখানে ইন্দ্রের কাছে বিভিন্ন প্রকার অস্ত্রশিক্ষা লাভ করতে করতে দীর্ঘ পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়ে যায়। সেই সময় অর্জুনের স্বর্গলোকের সবচেয়ে সুন্দরী অপ্সরী ঊর্বশী ও অন্য অপ্সরীদের নৃত্য দেখার সৌভাগ্য হয়। এরই মাঝে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে যায়। এই অপ্সরামণ্ডলীর মাঝে মহাবীর সুপুরুষ অর্জুনের বেশ কয়েক বার নজর পড়ে ঊর্বশীর দিকে। পাশাপাশি অর্জুনও ঊর্বশীর মন আকর্ষণ করতে থাকে। ইন্দ্র এমন অবস্থা দেখে এই কথা গন্ধর্ব চিত্রসেনকে জানান। কারণ, ইন্দ্রলোকে চিত্রসেন ছিলেন অর্জুনের নৃত্য, গীত ও বাদ্যের গুরু। তিনি ঊর্বশীকে জানালেন যে, অর্জুন তাঁর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছেন এবং তাঁর প্রতি মিলনাকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।

উর্বশীও যেন হাতে চাঁদ পেলেন। কারণ ইতোমধ্যেই অর্জুনের গুণে ঊর্বশীর মন বাসনায় ভরে উঠেছিল। তাই বিলম্ব না করে তিনিও চিত্রসেনকে জানালেন যে, তিনিও অর্জুনের প্রতি অনুরক্তা। অতঃপর এক স্বর্ণালী গোধূলি লগনে তিনি অর্জুনের বাসভবনে পৌঁছান। অর্জুন রাত্রে কামোত্তেজক ঊর্বশীকে তাঁর কক্ষে সুন্দর পোশাকে সুশোভিত দেখতে পাওয়ার সাথে সাথেই শ্রদ্ধা ও লজ্জার দৃষ্টিতে তাঁকে নমস্কার করলেন। ঊর্বশী তখন অর্জুনের সাথে মিলিত হতে চাইলে অর্জুন জানান যে, ঊর্বশী তাঁর প্রণম্যা। তিনি তাঁকে মাতৃভাবে দেখেন। কারণ পুরুরবার সঙ্গে সংসর্গের ফলে আয়ু জন্মগ্রহণ করেন। আয়ুর প্রপৌত্র হলেন পুরু। অর্জুন তাঁরই বংশধর। সেই যুক্তিতে ঊর্বশী অর্জুনের মাতৃতুল্যা। এই কথা শুনে ভয়ঙ্কর মনোক্ষুণ্ন হন  ঊর্বশী ও ক্ষোভে অর্জুনকে অভিশাপ দিয়ে বসেন যে, তিনি সম্মানহীন নপুংসক নর্তক হয়ে স্ত্রীলোকের মধ্যে বিচরণ করবেন। ঊর্বশীর অভিশাপে অত্যন্ত বিভ্রান্ত বোধ করেন অর্জুন এবং সাথে সাথে দেবরাজের শরণাপন্ন হন।

ইন্দ্র অর্জুনের প্রশংসা করে বলেন, তিনি ধৈর্যে বহু তাবড় তাবড় ঋষিদেরকেও পরাজিত করেছেন। তবে ঊর্বশীর অভিশাপ তাঁর কাজে লাগবে। অজ্ঞাতবাসের সময়ে অর্জুন এক বছর নপুংসক নর্তক হয়েই কাটাবেন। তবে গুড়াকেশ পরে আবার পুরুষত্ব ফিরে পাবেন। কথিত আছে , অজ্ঞাতবাসকালে অর্জুন নপুংসক দশা প্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং রাজা বিরাটের আশ্রয়ে তিনি বৃহন্নলা নাম নিয়ে রাজ-অন্তঃপুরে নৃত্য, গীত ও বাদ্যের শিক্ষিকা হিসেবে এক বছর অতিবাহিত করেছিলেন।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00