Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে মন্দির ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ! কোন মন্দিরে রয়েছে ২ মিনিট পর পর পর্দা দেওয়ার নিয়ম ?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : আগামী সোমবার(২৬ অগাস্ট)পালিত হবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। গোটা দেশ জুড়ে পালিত হয়ে থাকে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। তবে মথুরা ও বৃন্দাবনে এই উৎসব বিশেষ প্রাধান্য পেয়ে থাকে। মথুরা শহরে কংসের কারাগারে দেবকীর অষ্টম সন্তান হিসাবে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মনে করা হয় শ্রীকৃষ্ণ হল শ্রীবিষ্ণুর নবম অবতার। তবে জন্মাষ্টমীর আগেই জেনে নিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারী মন্দিরের কথা। এই মন্দিরে প্রতি দু মিনিট অন্তর অন্তর গোপালের বিগ্রহের সামনে পর্দা টেনে দেওয়া থাকে। ফলে কোন ভক্তই ২ মিনিটের বেশি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে পারে না।

বাঁকে বিহারী মন্দিরটি ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার বৃন্দাবন শহরে অবস্থিত। এই মন্দিরটি ‘বাঁকে বিহারী মন্দির’ নামে পরিচিত। এই মন্দিরে গোপাল দর্শন করতে হলে রয়েছে বিশেষ নিয়ম। বড় পর্দা টেনে দেওয়া হয় কৃষ্ণ বিগ্রহের সামনে। ২ মিনিট অন্তর অন্তর পর্দা টেনে দেওয়া হয়ে থাকে। আপনি কী জানেন কেন এই প্রথা প্রচলিত ?

স্থানীয়দের মুখে এই নিয়ে বহু লোককাহিনি রয়েছে। তেমনই এক প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে এই মন্দিরে এক বৃদ্ধা আসেন। অসহায় সেই বদ্ধা মহিলার তিনকুলে কেউ ছিল না। আপনজন বলতে কেউ ছিল না তাঁর। তাই নিজেকে সে বড় অসহায় এবং সবসময়ই একাকীত্বে ভুগতো। নিজের দুঃখের কথা নিবেদন করতেই তিনি একদিন শ্রীকৃষ্ণের কাছে এসেছিলেন।

সেই বৃ্দ্ধা ঘন্টার পর ঘন্টা বাঁকে বিহারীর চোখের দিকে তাকিয়েছিলেন। সেখানে কষ্টের গোপাল মূর্তির সামনে বসে থাকেন। নিজের কষ্টের কথা কথা বলতে বলতে বাঁকে বিহারীজির চোখের দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থাকেন। এরপর বাঁকে বিহারীজিকে তাঁর নিজের সন্তান বলে মনে হয়। হঠাৎ ওই বৃ্দ্ধা উপলব্ধি করেন যে তাঁর সন্তান বাঁকে বিহারীজি রয়েছে। স্বয়ং বাঁকে বিহারীই তাঁর সন্তান।

তখন ঠিক করেন, নিজের সমস্ত সম্পত্তি বাঁকে বিহারীর নামে করে দেবেন। এরপরে তিনি বাঁকে বিহারীকে প্রণাম করে বেরিয়ে আসার জন্য পেছন ঘুরে হাঁটতে থাকেন। কিন্তু মন্দির থেকে বেরোতেই তাঁর পেছন পেছন স্বয়ং বাঁকে বিহারীও মন্দির ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। মন্দিরের পুরোহিত এই আশ্চর্যজনক ঘটনা দেখে চমকে  যান। ওই মহিলা যত সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন আর তাঁর পেছন পেছন ছোট ছেলের মতো অনুসরণ করছেন স্বয়ং বাঁকে বিহারী।

বিষয়টা দেখে পুরোহিত উপলব্ধি করেন যে,মহিলার ভক্তি দেখে সয়ং বাঁকে বিহারীর হৃদয় কেঁদেছে। তাই তিনি বৃ্দ্ধার সঙ্গে ছেলের মতই থাকতে চান। তখন বাঁকে বিহারীর কাছে হাত জোড় করে তাঁর আরাধনা করতে থাকে মন্দিরের পুরোহিত। এরপরেই পুনরায় মন্দিরে ফেরেন বাঁকে বিহারী। সেই থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে এখানে বিগ্রহের সামনে প্রতি দু-মিনিট অন্তর পর্দা টেনে দেওয়া হবে। যাতে কোনও ভক্তের দিকে বেশিক্ষণ বাঁকে বিহারীজি তাকিয়ে থাকতে না পারেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00