নিজস্ব প্রতিনিধি : সারাদিন ধরে কাজের প্রেসারে বাড়ি ফিরে মুখের সামনে এক প্লেট বিরিয়ানি ধরলে মনটা খুশিতে ভরে ওঠে। বিরিয়ানি খেতে ভালবাসে না এমন মানুষ আছে নাকি? এই লোভ সামালানো যে বড় কঠিন। আজ ৭ই জুলাই রবিবার, এই দিনটির মাহাত্ম্য জানেন কী ? আজ হল বিরিয়ানি দিবস। শুধু আমাদের দেশে নয়, বিদেশে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা বিরিয়ানি খেতে ভালোবাসেন। প্রতিবছর জুলাই মাসের প্রথম রবিবার বিরিয়ানি দিবস পালন করেন সকলে।
তবে বিরিয়ানি এমন একটা জিনিস যা আমিষ ও নিরামিষভোজীদের জন্যও বটে। সবকিছু দিয়ে রান্না করা যায়। যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, চিংড়ি মাছ ছাড়াও এঁচোড় দিয়ে রান্না করা যায়। আবার পনির দিয়েও কিন্তু বিরিয়ানি রান্না করা যায়। স্বাদে কিন্তু কোনটাই কম যায় না। তাই তো উৎসবে, অনুষ্ঠানে বিরিয়ানি প্রেমী মানুষদের দেখা মেলে।
কীভাবে বিরিয়ানি শুরু হয় : জানা যায়, মুঘলরা বিরিয়ানির প্রথম প্রচলন করেছিল। রাজকীয় খাবারের একটা অন্যতম অংশ ছিল এই বিরিয়ানি। বেগম মমতাজের নির্দেশে তার বাবুর্চিরা প্রথমবার মতন বিরিয়ানি তৈরি করেছিলেন। মমতাজ তাঁর সেনাবাহিনীদের ব্যারাকে একবার গিয়েছিলেন সেখানে তিনি দেখলেন তার সৈন্যরা খুব দুর্বল হয়ে রয়েছেন। তখন তিনি তাদের জন্য অত্যন্ত সুস্বাদু এবং সুষম খাবার রান্না করার কথা তার বাবুর্চিদের বলেছিলেন। তখন তিনি বিরিয়ানির কথাই ভেবেছিলেন। মুঘল আমলে দিল্লিতেই প্রথম বিরিয়ানি তৈরির গল্প ইতিহাসে রয়েছে। অনেকে মনে করেন, বিরিয়ানি দক্ষিণ ভারতের হায়দ্রাবাদে প্রথম তৈরি করা হয়েছিল।