নিজস্ব প্রতিনিধি : চুলের যত্ন নিতে গেলে দামি প্রোডাক্ট নয়, ঘরোয়া টোটকার ওপরেই ভরসা করতে হয়। তাহলেই চুলের যত্ন যথাসম্ভব ভাবে নেওয়া যায়। চুল স্ট্রেট করালে যেমন সুন্দর লাগে তেমন কেমিকালের জন্য চুল রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। চুলে যথাযথ যত্ন না নিতে পারলে ঝলমলে চুল নষ্ট হয়ে যায়।
মেয়েদের সৌন্দর্যের অন্যতম হল এই চুল। ঘন কালো রেশমি চুলের জন্য যথাযত পরিচর্চার প্রয়োজন হয়। চুলের সৌন্দর্য নিয়ে নারীদেপর মধ্যে আলাদা নিজস্বতা রয়েছে। সকলেই নিজের নিজের মতো করে চুলের যত্ন নিতে পছ্ন্দ করেন। চুলের পরিচর্যায় করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ঘরোয়া টোটকা। চুলের ঘরোয়া টোটকা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে মেহেদিপাতা, ডিম, অ্যালোভেরা, নিমপাতা, লেবুর রস, মধু, অলিভ অয়েল, কলা, ক্যাস্টার অয়েল, টক দই, আমলকী, জবা ফুল, বিভিন্ন মসলা, ফল, সবজি, রসুন-পিঁয়াজ ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে কোনও উপকরণে চুলকে কালো করতে সাহায্য করে। কোনও উপকরন নতুন নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুল পড়া রোধ করতেও সাহায্য করে।
ভেষজ উপায়ে তুলের সৌন্দর্য বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান যুগে রাসায়নিকের ওপরেও অনেকেই ভরসা করেন। শ্যামপু, কন্ডিশনার, সিরাম, হেয়ার কালার দিয়ে অনেকেই চুলের ভিন্ন রুপ দিতে চায়। নিয়ম মেনে চললে চুল সুন্দর থাকবে। স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়ায় একদিন অন্তর তেল দেওয়া ঠিক নয়। চুল যদি শুষ্ক প্রকৃতির হয় তাহলে সপ্তাহে একবার তেল ম্যাসাজ করলে ভালো হবে। স্বাভাবিক বা তৈলাক্ত চুলের ক্ষেত্রে দুই সপ্তাহে একবার চুলে তেল দিন। সপ্তাহে দু’ থেকে তিনবার চুল ধোয়া উচিৎ।
শ্যাম্পু করার সময়ে খেয়াল রাখতে হবে, প্রথমে অল্প শ্যাম্পু নিয়ে চুল ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার করতে হবে। চুলে জেল্লা বজায় রাখতে ধোয়ার সময় অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন। দু’ থেকে তিন মাস অন্তর একবার চুল ট্রিম করালে ভাল। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমও খুব জরুরি। চুল ভাল রাখতে খাওয়ার দিকেও নজর দিতে হবে। রোদে বের হলে চুলে স্কার্ফ বা টুপি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। চুলে হট ওয়েল ম্যাসাজ করা অত্যন্ত উপকারি।