নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্তমানে ফ্যাশনের সংজ্ঞাটা গিয়ে ঠেকেছে ‘চুলে রং করা’ পর্যন্ত। চুল রং না করলে নাকি আধুনিকা হওয়া যায় না।সৌন্দর্যের সংজ্ঞা পেতে গিয়ে চুলের ক্ষতি করছেন না তো ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘন ঘন চুলে রং করালে মাথার ত্বকে অ্যালার্জি হতেই পারে।পাশাপাশি এত ঘন ঘন চুলে রাসায়নিক দেওয়া রং করালে মাথার ত্বক তো ছেড়ে কথা বলবে না!তাই আগে থেকেই সতর্ক হন। যত দামি রং-ই করান না কেন, সপ্তাহ দুয়েক পর চুলের গোড়া থেকে পাকা চুল উঁকি মারতে শুরু করবে। তবে জানুন ঘন ঘন চুলে রং করলে কী ক্ষতি হতে পারে?
অকালে চুল পেকে যাওয়া : চুলে রং করলে চুলের স্বাভাবিক রঙ পরিবর্তন হয়। কিন্তু ঘন ঘন রং করলে চুল তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলে। এতে চুল দ্রুত পেকে যায়।
শুষ্ক-রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়া : ত্বকের চিকিৎসকেরা বলছেন, বার বার চুলে রং করালে আর কিছু হোক না হোক, চুলের ঘনত্ব এবং মান নষ্ট হবে।এই ধরনের রঙের মধ্যে অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের মতো রাসায়নিক থাকে। যা চুলের স্বাভাবিক প্রোটিন, তেল নষ্ট করে ফেলে। এতে মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
টাক পড়ে যাওয়া : চুলের রংয়ে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে গোড়া থেকে চুল পাতলা হতে শুরু করে। অ্যামোনিয়া জাতীয় রাসায়নিক চুলের বৃদ্ধি হতে দেয় না। এটি চুলের গোড়া নষ্ট করে। এর ফলে চুল ঝরে পড়া, ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়তে পারে।
মাথার ত্বকে অ্যালার্জি : চুলে ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাবে মাথার ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। কারও ত্বক যদি স্পর্শকাতর হয়, সে ক্ষেত্রে রাসায়নিক নির্ভর রং কিন্তু বিষের মতো কাজ করে। অনেকে ক্ষেত্রে সংবেদন ত্বকের জন্য চুলের রং থেকে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানির মতো সমস্যাও তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন : বার্ধক্য ঘেঁষবে না গায়ে! এই মোক্ষম ফলের জাদুতেই মুঠোয় ‘যৌবন’
কীভাবে চুলকে রক্ষা করবেন : ১)চুলের রং বেছে নেওয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করুন। ২) অ্যামোনিয়াবিহীন পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক চুলের রং ব্যবহার করুন ।৩) একান্তই চুলে রং করার প্রয়োজন হলে পেশাদার হেয়ার স্টাইলিস্টদের কাছে যান। তারা জানে কোন হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে কোনটা আপনার চুল ও ত্বকের জন্য ভালো।