Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ওটস নাকি মুসলি? ওজন কমাতে কোনটি বেশি উপযোগী জেনে নিন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : সুস্থ থাকতে চাইলে সঠিক ব্রেকফাস্ট করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সঠিক ব্রেকফাস্ট করলে সারাদিনের সমস্ত ঠিক থাকে। ব্রেকফাস্ট যত স্বাস্থ্যকর করা যাবে ততই শরীরের পক্ষে ভাল। তবে বর্তমান সময়ে কাজের অভাবে অনেকেই চটজলটি ব্রেকফাস্ট খেতে পছন্দ করেন। চটজলদি ব্রেকফাস্ট করার মধ্যে অন্যতম মুসলি ও ওটস। এই দুটি সিরিয়াল ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

কেউ যদি দ্রুত ওজন কমাতে চায়, তাহলে মুসলি বা ওটস খেতে পারেন। তবে দুটির মধ্যে কোনটি খেলে বেশি কাজে দেবে সেটা অনেকেই জানেন না। কার জন্য কোনটা ঠিক সেটা আগে থেকেই নিজেকে বুঝে নিতে হবে। ওটস এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন ফাইবার ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়ামের মত প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ। মুসল্লিতে থাকে শুকনো ফল ও ফাইবার। উঠছি কিছুটা ক্যালরি থাকলেও সুগার থাকে না। তাই ডাইবেটিক আক্রান্ত রোগীরা ওটস খেতে পারেন। কিন্তু মুসলিতে অনেকটাই সুগার থাকে। বিশেষ করে দোকানে কেনা মুসলিমগুলো সুগারে ভরপুর হয়। তাই সুগার আক্রান্ত রোগীদের মুসলি খাওয়াই উচিত।

ওটস ও মুসলি দুটোই সিরিয়াল। মুসলিতে ড্রাই ফুডস ও বাদাম থাকে। এটায় বেশি পরিমাণে চিনি থাকায় এর সঙ্গে টক দই খাওয়া যেতে পারে। মুসলিম মধ্যে ফাইবার ও ভিটামিনও থাকে। মুসলি খেলে দীর্ঘক্ষন পেট ভরা থাকে। ওটস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভাল। তবে এখন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওটস কিনতে পাওয়া যায়। সাদামাটা ছাড়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। সিটি শরীরের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। ওটস বা মুসলি খাবার পর পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাওয়ার কোন জায়গা নেই। বারবার খিদেও পায় না। অসত্যকর খাবার থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। ওটসের গ্লাইসেমিক সূচক অনেকটাই কম তাই সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে গেলে ওটস খাওয়া যেতে পারে। ঠিক উল্টো বিষয়টি হয় মুসলির ক্ষেত্রে। এটিতে সুগারের পরিমাণ বেশি। তাই সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইলে এটি না খাওয়াই ভাল।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00