নিজস্ব প্রতিনিধি : কথায় আছে বয়স ‘থেমে থাকার নয়’। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চড়চড় করে বাড়ে বয়স। বয়স ৩০ পেরোতেই জাঁকিয়ে ধরে ‘বার্ধক্য’। অল্প বয়সে চুলে পাক ধরে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দুশ্চিন্তা। ৩০ এই হয়ে বুড়ি। তবে আর চিন্তা নেই।এক ফলেই নিমেষে হবে সমাধান। কমবে ত্বকের বয়স। জানেন কী কোন জাদুকরী ফলের গুণে কমবে বয়স ?
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আখরোটকে সুপারফুডের সঙ্গে তুলনা করলেও চলে। কারন এতে রয়েছে এমন পুষ্টিগুণ যা বার্ধক্য রোধে ভীষণ কার্যকরী। নিয়মিত আখরোট খেলে হাড়, মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র, অন্ত্র, শুক্রাণুর স্বাস্থ্য উন্নত হয়। তাই ডায়েটে আখরোট রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদেরা।
উপকারিতা: আখরোটে আছে ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ যা শরীরের জন্য উপকারী।রোজ আখরোট খেলে কমবে রক্তচাপও। শুক্রানুর সংখ্যা বাড়াতে দারুন কাজ করে এই শুকনো ফল।এছাড়াও হৃদযন্ত্রকে রাখে সুস্থ সবল।
এছাড়াও আখরোটে ক্যালরি প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ফোলেট, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম এবং মত বিশেষ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। যা শরীরের জন্য উপকারী।
আরও পড়ুন : পুষ্টিকর ভেবে আঙুর খাচ্ছেন ? আজ থেকেই সাবধান হন…
কীভাবে খাবেন : আখরোটকে জলে ভিজিয়ে খালি পেটে খাওয়া ভালো এছাড়াও জলের পরিবর্তে দুধের সঙ্গেও আখরোট খাওয়া যেতে পারে।ভেজানো আখরোট হজম করা সহজ।বিকেলে চিবিয়ে ও খেতে পারেন কয়েক টুকরো আখরোট।কাজের মাঝেমধ্যেও খেতে পারেন। এছাড়াও ব্রেকফ্রাস্টে স্বাস্থ্যকর এই বাদাম রাখতে পারেন। সন্ধ্যেবেলায়ও অল্প করে এই বাদাম খেতেই পারেন।