নিজস্ব প্রতিনিধি : শরীরে একবার যদি থাইরয়েডের সমস্যা বাসা বাঁধে তাহলে আর রক্ষা নেই। এই রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি।তবে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সমান্য খেয়াল রাখলেই এই সমস্যার মোকাবিলা করা যেতে পারে। ‘থাইরয়েড’ শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত।এই রোগের সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে।এমনকী ঝুঁকি থেকে যায় ক্যানসারেরও।তাই সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন। আপনি কি জানেন যারা এই সমস্যায় ভোগে তাদের কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত ?
কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন : বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ছোলা জাতীয় খাবার থাইরয়েড বৃদ্ধি করে। এছাড়াও সর্ষে, মুলো, রাঙা আলু এড়িয়ে চলাই ভাল। থাইরয়েড রোগীদের খাওয়া একদমই উচিত নয়। তবে একান্তই খেতে ইচ্ছে হলে খেতে পারেন। অবশ্যই তা অল্প পরিমাণে।প্রয়োজন হলে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।
দানাদার জাতীয় খাবার : গম, বার্লি, রাই শাকের মত দানাদার খাবার মুখে না তোলাই ভাল। এর সঙ্গে সঙ্গে রান্না করা গাজর, পাকা কলা, শুকনো ফল, মধু, ময়দার রুটি, সাদা ভাত, আলু, সাদা পাস্তা, মিষ্টি এগুলোও পরিহার করা উচিত। কেননা এগুলো শরীরে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
চিনি ও দুগ্ধজাত খাবার : চিনি ও চিনি মিশ্রিত বেশি খাবার না ছোঁয়াই ভাল। তবে অল্প সামান্য প্রাকৃতিক চিনি মিশ্রিত ফল খেতেই পারেন। বার্গার, পিৎজা থেকে শুরু করে কোন প্রক্রিয়াজাত খাবারও না খাওয়াই ভাল। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, চিজ খাওয়া চলবে না।
সয়াবিন : সয়াবিন খাওয়া থাইরয়েড রোগীদের জন্য ভাল নয়। যেহেতু সয়াবিনের মধ্যে ফাইটোস্ট্রোজেন, জেনিস্টাইন থাকে। যা রোগীদের থাইরয়েড গ্রন্থির উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে।
আরও পড়ুন : টাকা রাখার জায়গায় ভুলেও এই জিনিসগুলো রাখবেন না, একবারে ভিখারি হয়ে যাবেন
অ্যালকোহল : থাইরয়েড রোগীদের অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন পান করা এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা এতে থাইরয়েডের সমস্যা বাড়বে। এর পরিবর্তে ফলের রস ও সবজির রস বানিয়ে খেতে পারেন।