নিজস্ব প্রতিনিধি : হাতে আর বেশি সময় নেই। ছেলেমেয়েদের নিয়ে মর্ত্যে বাপের বাড়ি বেড়াতে আসছেন দুর্গতিনাশিনী। এইসময় মাতৃ আরাধনার মেতে ওঠে ভক্তরা। ভক্তের আরাধনায় দেবী খুশি হলে জীবন থেকে দূর করুন সমস্ত সংকট। ভক্তের জীবন ভরে ওঠে সুখ ও শান্তিতে। তেমনই রুষ্ট হলে ব্যক্তির জীবনে ছেয়ে যায় ঘোর অন্ধকার। নবরাত্রির সময় বাড়িতে মা দুর্গাকে আহ্বান করবেন ভাবছেন ? আপনি কী জানেন এর আগে কোন কাজ সেরে ফেলা উচিত ? মায়ের পূর্ণ আশীর্বাদ পেতে চাইলে আগেভাগেই ঘর থেকে সরিয়ে ফেলুন এই জিনিসগুলো।
ঘর পরিষ্কার রাখুন : নবরাত্রির আগে ভাল করে ঘর পরিষ্কার করুন। যে বাড়িতে কলশ বসানো হবে তার বিশুদ্ধতার দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। তা না হলে রুষ্ট হতে পারে দেবী। ফলে জীবনে নেমে আসবে ঘোর অন্ধকার।
আমিষ খাবার থেকে দূরে থাকুন : ঘরে মাংস, মদ, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি জিনিস থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন। রান্নাঘর, শোবার ঘর, পুজোর ঘর সব ভাল করে পরিস্কার রাখুন।তবেই মায়ের পূর্ণ আশীর্বাদ পাবেন।
ভাঙা বাসনপত্র সরিয়ে ফেলুন : দু্র্গা পুজো আসার আগেই রান্নাঘর, বাড়ি থেকে সমস্ত ভাঙা বাসন সরিয়ে ফেলুন। শুধু তাই নয় পুরনো ছেঁড়া কাপড় ঘরের মধ্যে আবর্জনার মত করে ফেলে রাখবেন না। যেগুলি ব্যবহার করা যাবে সেগুলি নিয়ে, বাকিটা ফেলে দিন। ঘর দোর গুছিয়ে রাখুন। না হলে ঘরে নেতিবাচকতা বাড়বে। দারিদ্র্য, অসুস্থতা দেখা দেয়।
পোড়া ধূপের ছাই ঠাকুরের সামনে রাখবেন না : দেব দেবীর আশপাশ পরিস্কার রাখুন। দেশলাই কাঠি, ধূপের টুকরো, পোড়া ধূপের ছাই ইত্যাদি মন্দিরে রাখবেন না। এতে হতে পারে ঘোর অনর্থ। তাই সর্বদা পরিস্কার রাখুন।
মন্দির পরিস্কার রাখুন : দেবী দুর্গা পরিস্কার পরিছন্ন জায়গায় থাকতে ভালবাসে। যে জায়গায় নোংরা থাকে সেই জায়গায় প্রবেশ করেন না দেবী। ফলে ঘরে বাসা বাঁধে নেতিবাচক শক্তি। হু হু করে বাড়ে দারিদ্রতা, দুর্ভোগ। তাই নবরাত্রির আগে বাড়ির মন্দির ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে শুধু মন্দির নয়, ঘর দোর অবশ্যই পরিস্কার রাখুন।