আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সদ্যই ইজরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে হিজবুল্লাহর নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। এই হত্যাকান্ডকে ঘিরে উত্তাল গোটা ইরান সহ লেবানন। এমনকী ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান। অন্যদিকে ইজরায়েলকে বোমা জোগানে আমেরিকার সহায়তা আরও ক্ষোভ বাড়িয়েছে ইরানের। এমতাবস্থায় সতর্ক অবস্থান নিতে চাইছে আমেরিকা। এবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান সহায়তা বাড়াচ্ছে দেশটি (আমেরিকা)।
রবিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতিও নিচ্ছে দেশটি। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান ঠিক করে নিতে পেন্টাগনকে( মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর) নির্দেশ দিয়েছিল জো বাইডেন।
এই নিয়ে এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট্রিক রাইডার জানিয়েছেন, ‘ইরান ও ইরান-সমর্থিত অংশীদার ও সশস্ত্র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাতে বা যুদ্ধ থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর।’
সতর্ক করে তিনি আরও জানান, যদি ইরান বা দেশটিকে সমর্থনকারী গোষ্ঠী ‘এই সময়টি কাজে লাগিয়ে আমেরিকান কর্মী বা এই অঞ্চলের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ব্যবহার করে তবে, আমাদের জনগণকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে আমেরিকা। জনগণের নিরাপত্তা সবার আগে।’ এই নিয়ে তাঁরা আরও জানান, তাঁরা আগামী দিনে প্রতিরক্ষামূলক বিমান সহায়তা ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবেন।’
উল্লেখ্য, ইজরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। এছাড়াও নিত হয়েছে সংগঠনটির দক্ষিণ ফ্রন্টের কমান্ডার।এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক চেয়েছে ইরান। হিজবুল্লাহর প্রধানকে হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে ‘বাংকার-বাস্টার’ বোমা। এর মধ্যে ছিল আমেরিকার তৈরি বোমাও। এই নিয়ে উত্তাল গোটা ইরান। এর মধ্যেই কোনরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না আমেরিকা। তাই নিরাপত্তা বলয় আরও শক্তিশালি করছে দেশটি।