আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। ১৩ জুন শুক্রবার সকালে ইরানের পরমাণুকেন্দ্র ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার সহ একাধিক জায়গায় বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। তারপরেই একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তেহরান। ইতিমধ্যে ইরানের ১২ জন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে ইজরায়েল।
ইজরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র, সেনা ঘাঁটি, তেলের খনি, গ্যাস সংশোধনাগার ও বেশ কিছু বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তেল আবিবের চালানো হামলায় ইরানে দু’শোরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পরমাণুবিজ্ঞানীরা ছাড়া মৃতের তালিকায় রয়েছেন দেশের শীর্ষ সামরিক আধিকারিক সহ ২০ জন কমান্ডার। ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে ইজরায়েলের তেল আবিব, জেরুজালেমের মতো শহরগুলিতে।
এসবের মধ্যে চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। সে’দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টা আলি আসগর হেজাজি তেহরান ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনা করছেন। সম্ভবর রাশিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। যদি ইরানের পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যায় তাহলে তিনি নিজে এবং তার পরিবার দেশ ছাড়ার কথা ভাববেন। এই বিষয়ে রাশিয়ার আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে আলি আসগর হেজাজির।
মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইজরায়েল, স্বভাবতই রাশিয়া বাছতে চাইছে ইরানকে। প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার এক প্রবীন আধিকারিক হেজাজিকে আশ্বস্ত করেছেন যে যদি উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার বদলে বৃদ্ধি পায় তাহলে মস্কো নিরাপদ করিডোরের মাধ্যমে তাঁকে পরিবার সহ সরিয়ে নিয়ে আসবে।
শুধু আলি আসগর হেজাজি নন, ইরানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও একই পথের অনুসারী হচ্ছেন বলে খবর। অনেকেই পাকাপাকিভাবে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করে ফেলেছেন।