আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বাড়ছে যুদ্ধের পারদ। একদিকে লেবানন-ইরান ও গাজা নিয়ে ইজরায়েলের সংঘর্ষ আরও বাড়ছে। এমতাবস্থায় মিত্র দেশ ইজরায়েলকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। বরাবরই ইজরায়েলকে সমর্থন ও অস্ত্র জুগিয়ে আসছে আমেরিকা। যা মোটেও ভাল চোখে দেখছে না ইরান সহ মিত্র দেশগুলি। আর তাতেই কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না আমেরিকা। চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা ও অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা করেছে দেশটি (আমেরিকা)।সামরিক অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার বি-৫২ বোমারু যুদ্ধবিমান। মধ্যপ্রাচ্যে এসব অস্ত্র মোতায়েন ইরানকে সতর্ক করার অংশ বলা চলে।পরোক্ষভাবে ইরানকে হুমকি দিল আমেরিকা।
এই নিয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান ও তাঁর মিত্রদেশ অথবা ইরানের বদলে অন্য কোনো দেশ যদি মার্কিন সেনা বা এই অঞ্চলকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করে, তাহলে নিজেদের জনগণকে সুরক্ষিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে আমেরিকা। রাইডার আরও জানিয়েছেন, আগামী মাস গুলোয় নতুন বাহিনী এসে পৌঁছানো শুরু করবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ২৬ অক্টোবর ইরানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে ইরান ইজরায়েলে দুটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। পর্যবেক্ষকেরা সতর্কতা জারি করে বলেছেন, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ আরও তীব্র হতে পারে। এদিকে আগামী ৫ নভেম্বর রয়েছে মার্কিন নির্বাচন। এর আগে ইরান ইজরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে কিনা তা জানা যায় নি। তবে বিশ্লেষেকরা মনে করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ইজরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান।
আরও পড়ুন : শত্রু দেশ ইজরায়েলে হামলা চালানোর নির্দেশ খামেইনির