‘স্বৈরাচারী ইরান সরকারকে উৎখাত করুন’, নেতানিয়াহুর আবেদনে ইজরায়েলকে নরকে পাঠানোর হুমকি খামেনির 

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। উভয় পক্ষ থেকেই নির্বিচারে আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ শুরু করার পর ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে ইরানের উপর আক্রমণ শানিয়েছেন। ১৩ জুন ইজরায়েল ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও ইজরায়েলের আবাসিক এলাকাগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের জনগণকে খামেনির শাসনকে উৎখাত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। আর এই আহ্বান ক্ষুব্ধ করে তুলেছে স্বয়ং খামেনিকে।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ইরানের জনগণকে সম্বোধন করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। নেতানিয়াহু বলেছেন, “ইজরায়েলের লড়াই ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং তথাকথিত ইরান সরকারের বিরুদ্ধে। সেই সরকার স্বৈরাচারী। আমি আশা করি এই ইজরায়েলি সামরিক অভিযান ইরানবাসীর স্বাধীনতার পথের কাঁটা পরিষ্কার করবে। ইরানের জনগণের জন্য এটাই সময় দুষ্ট ও নিপীড়ক শাসকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। ৫০ বছর ধরে আপনাদের উপর ইরান সরকার ক্রমাগত অত্যাচার চালিয়ে দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”

নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়েছেন ইজরায়েলের যুদ্ধ ইরানের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে। তিনি ইরানের জনগণকে এক নতুন বিপ্লবের আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে এও জানান যে ইজরায়েলের অভিযানের লক্ষ্য হল এই ইরানি সরকারের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে উৎপাটন করা। তিনি মনে করে ইজরায়েল তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারলে ইরানিদের স্বাধীনতার পথও পরিষ্কার হয়ে যাবে।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ইরানি সরকারের মুখ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তেহরান থেকে এর জবাবে কার্যত হুমকি দিয়ে তেল আবিবকে তিনি বলেছেন, “ইজরায়েল যুদ্ধ শুরু করেছে। এখন ইজরায়েলের আর মুক্তি নেই। হামলা চালানোর পর ইজরায়েলের এটা ভাবা উচিত নয় যে সব শেষ। তাদের আক্রমণই যুদ্ধের সূচনা। আমরা ওদের এই অপরাধ ঘটানোর পর আর পালাতে দেব না। ইজরায়েল নিজেকে যন্ত্রণাদায়ক পরিণতির জন্য প্রস্তুত করেছে। তাদের অবশ্যই সেই পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।” খামেনির আরও সংযোজন, “ইরানের বিরুদ্ধে অপরাধ করে ইজরায়েলের হাত রক্তরঞ্জিত। আমরা ইজরায়েলকে ধ্বংস করব। আমরা ওদের জন্য নরকের দরজা খুলে দেব।”

প্রসঙ্গত, ইজরায়ের ইরানের শত্রুতা বহু বছরের। তবে প্রথম থেকেই দুই দেশ কিন্তু শত্রু ছিল না। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময় দেদেশের পশ্চিমপন্থী নেতা মহম্মদ রেজা শাহ ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁর আমলে ইজরায়েল ইরানের বন্ধু হয়ে উঠেছিল। কিন্তু তাঁর পর ক্ষমতায় আসা শাসকেরা ইজরায়েলকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে।

ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইজরায়েলের

ইজরায়েলে এবার ক্লাস্টার বোমা ফেলল ইরান, তেহরানের সঙ্গে হাত মেলাল হিজবুল্লাহ

‘জম্মু-কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ..’, ভুল মানচিত্রের জন্য ক্ষমা চাইল ইজরায়েল

ইরানের হামলার ভয়ে আত্মগোপনে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

মসজিদে ভয়াবহ বিমান  হামলা, গাজায় নিহত ২৪

ইরানের ‘খতম’ তালিকায় নাম নেতানিয়াহু ও ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]