আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। ১৩ জুন শুক্রবার সকালে ইরানের পরমাণুকেন্দ্র ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার সহ একাধিক জায়গায় বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। তারপরেই একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তেহরান। জবাবে ইরানও ইজরায়েলের আবাসিক এলাকাগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইরানের খামেনিকে চোখ রাঙিয়েছেন। চোখের বদলে চোখ নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে দুই দেশ। এসবের মধ্যে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ’র একটি কথা ঝড় তুলেছে বিশ্বে। তিনি বলেছেন, ইরানের ওপর ইজরায়েলের হামলা চলবে। তারপরেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি তাঁর হুঁশিয়ারি সাদ্দাম হুসেনের থেকেও খারাপ হতে পারে ইরানি নেতার অবস্থা।
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর চালানো অভিযানে চরম দুর্দশার মুখে পড়তে হয় ইরাকি নেতা সাদ্দাম হুসেনকে। তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা হয়েছিল। এমন বা এর থেকেও খারাপ অবস্থা হতে পারে নাকি খামেনির! ইজরায়েলি বিদেশমন্ত্রীর কথায়, ‘আমি ইরানি স্বৈরশাসককে সতর্ক করে দিচ্ছি, যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে যাওয়া এবং ইজরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিণাম ভাল হবে না।’
এদিকে ইরানের অভিযোগ ইজরায়েল ক্রমাগত তাদের দেশের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তাতে বেশ কয়েকজন সাধারণ ইরানি জনগণ নিহত হয়েছেন। তারপরেই ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের কথা উল্লেখ করেছেন কাৎজে। বলেছেন, খামেনির উচিত স্বৈরশাসকের পরিণতি মনে রাখা। ইরাক ইরানের প্রতিবেশী দেশ। ইরান এখন ইজরায়েলের সঙ্গে যে পথে হাঁটছে, এক সময় ইরাকও সেই পথ বেছে নিয়েছিল। তার ফল ভুগতে হয়েছিল সাদ্দাম হোসেনকে। ইরানের খামেনিও সেই ফল ভুগবেন। তাঁর পরিণতি হয়তো আরও মারাত্মক হবে। তাই ইরান ইরাকের থেকে শিক্ষা নিক।