আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়ার জানাজা বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) তেহরানে (ইরানের রাজধানী) অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তাঁর জানাজা পড়াবেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনি।
বুধবার (৩১ জুলাই) সকালে হানিয়ার নিহত হওয়ার খবর সামনে আসে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হানিয়া যে আবাসনে ছিল, সেখানে হামলা চালানো হয়। এতে হানিয়া ও তাঁর একজন দেহরক্ষী নিহত হয়। এই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য হানিয়া তেহরানে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়েই হামলার শিকার হয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে হানিয়া হত্যার বদলা নিতে পারেন হামাস। কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলকে। এই নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন , ‘হানিয়ার রক্ত কখনোই বৃথা যাবে না।’ যদিও হানিয়ার ওপর হামলার পেছনে কে রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে হামাসের দাবি, হানিয়ায় মৃত্যুর পেছনে রয়েছে জায়নবাদী (ইসরায়েল রাষ্ট্রের কট্টর সমর্থক)।
একদিকে দীর্ঘদিন ধরে চলা গাজা যুদ্ধে যুদ্ধ বিরতির পথে হাঁটতে চাই ইজরায়েল বলে জানিয়েছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এর জন্য রোমে প্রতিনিধি দলও পাঠাবে বলে জানিয়েছিল। আর এর মধ্যেই হামাস প্রধান হানিয়ার মৃত্যু। এই আবহে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে বিশ্লেষকেরা। গাজা ইজরায়েল ‘শান্তি রক্ষা’ বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন!