নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৫ বছর আগের স্মৃতি ফেরালেন আমির খান।কোনও ওটিটি নয়, বরং ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে ‘সিতারে জমিন পার’। লাল সিং চাড্ডার ব্যর্থতার ৩ বছর পর ‘সিতারে জমিন পার’-মাধ্যমে অভিনয়ে প্রত্যাবর্তন করেছেন আমির খান। ছবিটি তাঁর ২০০৭ সালের ব্লকবাস্টার ‘তারে জমিন পার’-এর সিক্যুয়েল হলেও গল্পটা অন্যরকম। ছবিটি বক্সঅফিসে তেমন সাফল্য না পেলেও দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। যাই হোক, সিতারে জমিন পার এখন ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে। ছবিটির প্রচারে কোনও কমতি রাখেন নি অভিনেতা। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ভবনেও বিশেষ প্রদর্শনী করা হয়েছে ছবিটির।
এবার ভূজের কাছে সেই বিখ্যাত গ্রামে ‘সিতারে জমিন পার’-এর বিশেষ প্রদর্শনের ব্যাবস্থা করলেন অভিনেতা। যেখানে ২৫ বছর আগে তাঁর অস্কার মনোনীত ছবি “লগান”-এর শুটিং হয়েছিল। দেশের কোণঠাসা জায়গা থেকেও সিনেমাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নিলেন আমির খান। খবর অনুসারে, কুনারিয়া নামের সেই গ্রামের স্থানীয়রা অভিনেতাকে উৎসাহের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তিনি গ্রামের মানুষের সঙ্গে ছবিটি দেখেছেন। ২০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিপ্রাপ্ত “সিতারে জমিন পার” ছবিটি ২৫০ কোটি টাকারও বেশি আয় করেছে এবং ব্লকবাস্টার হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। ছবিটিতে আমির এবং জেনেলিয়া ডি’সুজার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন আরুশ দত্ত, গোপী কৃষ্ণ ভার্মা, সম্বিত দেশাই, বেদান্ত শর্মা, আয়ুষ ভংসালি, আশীষ পেন্ডসে, ঋষি শাহানি, ঋষভ জৈন, নমন মিশ্র এবং সিমরান মঙ্গেশকর।
এটি পরিচালনা করেছিলেন আরএস প্রসন্ন, যিনি পূর্বে শুভ মঙ্গল সাবধানের পরিচালক ছিলেন। সিতারে জমিন পার এখন আমিরের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইউটিউবে অনলাইনে স্ট্রিমিংয়ের জন্য উপলব্ধ। যেখানে ব্যবহারকারীদের তাঁর চ্যানেলে সিনেমাটি দেখার জন্যে মাত্র ১০০ টাকা দিতে হবে। এই উদ্যোগের কারণ প্রসঙ্গে আমির প্রকাশ করেছেন যে, ওটিটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতার কারণে যখন থিয়েটারগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তখন আরও বেশি লোক সিনেমা হলগুলিতে সিনেমা দেখতে যান এবং দেশের প্রতিটি কোণে সিনেমা হলগুলিকে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং অ্যাক্সেসযোগ্য করে তোলার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।