নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি : ভোটার তালিকার ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই মেগা সানডে। একদিকে এসআইআর সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করল নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে ভোটচুরির অভিযোগে পথে নেমেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কমিশন কোনও দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে না। কমিশন নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনই মন্তব্য করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞাণেশ কুমার। পাশাপাশি বাংলায় কবে শুরু হবে এসআইআর,স্পষ্ট করে জানাতে পারলেন না ‘বিতর্কিত’ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞাণেশ কুমার।
বাংলার এসআইআর কবে শুরু হবে এই নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, এখনই এই বিষয়ে বলছেন না। সঠিক সময় এলেই বাংলার এসআই আর নিয়ে জানানো হবে। তিনি আরও বলেছেন, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশন থেকেই রেজিস্ট্রেশন পায়। নির্বাচন কমিশনের কাছে সবাই সমান। কাউকে আলাদা করে অতিরিক্ত সুবিধা দেয় না। এসআইআর প্রক্রিয়ায় সব রাজনৈতিক দলের বিএলএ রয়েছে। সব দলকে খসরা ভোটার তালিকা দেওয়া হয়েছে। এক সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খসড়া ভোটার তালিকা সংশোধন চলবে। সেই তালিকায় কোনও ত্রুটি পেলে জানাতে বলা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, দক্ষতার সঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন করতে হবে। বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোটার তালিকা নিয়ে ২৮ হাজার ৩৭০টি অভিযোগ সামনে এসেছে। এসআইআর নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। অভিযোগ তুলতে গিয়ে ভোটারদের গোপনীয়তা ক্ষুন্ন করা হচ্ছে। এটা সংবিধানের অপমান। ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধন করা একান্ত প্রয়োজন ছিল। এবারই প্রথম নয়। এর আগেও অন্তত ১০ বার এই কাজ হয়েছে।
বিহারে ভোটার অধিকার যাত্রা শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী। সেখানে কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধীদের তোলা অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ভোটারদের কাঁধে বন্দুক রেখে কমিশনকে ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের।