নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিরোধীদের বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে আগামিকাল মঙ্গলবারই (১৭ ডিসেম্বর) লোকসভায় ‘এক দেশ, এক ভোট; সংক্রান্ত বিল পেশ করতে পারে মোদি সরকার। আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) আচমকাই বিজেপির সংসদীয় দলের তরফে, মঙ্গলবার লোকসভায় দলের সব সাংসদকে হাজির থাকার জন্য হুইপ জারি করা হয়। ওই হুইপের পরেই জোর চর্চা চলছে, বিরোধীদের রণকৌশল ভেস্তে দিতে মঙ্গলবার লোকসভায় ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল পেশ করাতে চায় শাসক শিবির। তেমন হলে ওয়াকফ বিলের মতোই এই বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় সমিতি গঠনের পথে হাঁটতে পারেন নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা।
২০১৪ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পরেই ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে সওয়াল করে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর যুক্তি, আলাদা-আলাদা নির্বাচনের জন্য যে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ হয়, তা কমানো যাবে। সেইসঙ্গে কাজের ভার কমবে ভোটকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের। সারা বছর কোনও না কোনও ভোটের কারণে আদর্শ আচরণবিধির গেরোয় উন্নয়নমূলক কাজকর্ম থমকে যাচ্ছে। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যদিও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে ‘এক দেশ, এক ভোট’ এর বিরোধিতায় সুর চড়ানো হয়েছে।
গত সপ্তাহেই ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে অনুমোদন দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। আর তাতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছিল, শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ হতে পারে ওই বিল। গত শুক্রবারই ছাপা হয়েছে বিলটি। শনিবার সেটি বিতরণ করা হয় য় সাংসদের মধ্যে। তখন জল্পনা ছড়ায় সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) পেশ হবে বিলটি। কিন্তু শেষ মুহুর্তে রণকৌশল পরিবর্তন করে বিজেপি নেতৃত্ব।