নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়া দিল্লি: ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে বৃহস্পতিবার ফের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মক ড্রিল। এই মক ড্রিল গুজরাত, পঞ্জাব, রাজস্থান এবং জম্মু ও কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ে জনগণকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে ভারত পাকিস্তানের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই হামলায় একশোরও বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়। পাকিস্তানে আরও ১২টি সন্ত্রাসী আস্তানার তালিকা প্রস্তুত রয়েছে ভারত সরকারের কাছে। তিন বাহিনীর পক্ষ থেকজেই জানানো হয়েছিল আগেই অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়ে যায়নি, তা চলছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানের অভ্যন্তর পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদের যে শিকড় রয়েছে তা নির্মূল করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
ভারতের অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পাকিস্তান ভীত একথা সত্যি। তারা এমনিতেই সন্ত্রাসের ধারক ও বাহক। ভারত সেই সন্ত্রাস নির্মূলে বদ্ধপরিকর। ফলে পাকিস্তানকে বারবার কখনও বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, অপারেশন সিঁদুরের মতো একের পর এক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এর আগে, ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে সন্ত্রাসবাদের অবশিষ্ট ঘাঁটিগুলিও নির্মূল করা হবে। ভারত এর জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। একইসঙ্গে পাকিস্তানের মতো সাপকে বিশ্বাস করে না ভারত। তাই ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সদাসতর্ক হয়ে রয়েছে। পাকিস্তানের আতঙ্ক এবং নিয়ন্ত্রণ রেখায় তাদের গুলিবর্ষণ দেখে সেনাবাহিনী কাশ্মীরের ১০টি জেলায় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে।
২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হামলায় সিঁদুর মুছেছিল ২৫ জন ভারতীয় নারীর। এক স্থানীয় ভারতীয় কাশ্মীরি মুসলিমের মৃত্যুতে স্বামীহারা হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। এই সকল নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মৃতদের প্রতি সম্মান জানিয়েই ৭মে গভীর রাতে পাকিস্তানের উপর ভারত করে এয়ার স্ট্রাইক। নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’। ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করে পাকিস্তানে ঘাঁটি করে থাকা জঙ্গিদের উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। স্থল, বায়ু ও নৌসেনার মিলিত অভিযানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ওঁ পাকিস্তানের কমপক্ষে ১০০ জঙ্গির মৃত্যু হয়।