Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দিল্লিতে ২৭ বছর বাদে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, ইঙ্গিত বুথফেরত সমীক্ষায়

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দেশের রাজধানী দিল্লিতে দীর্ঘ ২৭ বছর বাদে ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। বুধবার ভোটগ্রহণের পরেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে চারটি সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষায়। ওই বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজধানীতে বিজেপি কমপক্ষে ৩৫ এবং সর্বোচ্চ ৪৯টি আসন পেতে পারে। টানা তিনবার ক্ষমতা দখল করা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি পেতে পারে ২১ থেকে ৩৭ আসনে। সবচেয়ে শোচনীয় হাল কংগ্রেসের। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে সর্বোচ্চ তিনটি আসন।

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হতেই বিভিন্ন সংস্থার তরফে বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়। আর সমীক্ষাতে আভাস মিলেছে পদ্ম ঝড়ের। ‘ম্যাট্রিজ’ এর সমীক্ষা অনুযায়ী, ‘বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। পক্ষান্তরে আম আদমি পার্টি পেতে পারে ৩২ থেকে ৩৭ আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ০-১টি আসন।’

‘চাণক্য স্ট্রাটেজিস’-এর সমীক্ষা বলছে, দিল্লিতে ৭০ বিধানসভা আসনের মধ্যে আম আদমি পার্টির ঝুলিতে যেতে পারে ২৫ থেকে ২৮টি আসন। বিজেপি অনায়াসেই পেরিয়ে যাবে ম্যাজিক ফিগার (ক্ষমতা দখলের জন্য প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা)। গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে যেতে পারে ৩৯ থেকে ৪৪টি আসন। গতবার শূন্য হাতে ফেরা কংগ্রেস জিততে পারে ২ থেকে ৩টি আসনে।  

সমীক্ষক সংস্থা ‘ডিভি রিসার্চে’র বুথফেরত সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ‘আপ জিততে পারে ২৬ থেকে ৩৪ আসনে। পক্ষান্তরে বিজেপি জিততে পারে ৩৬ থেকে ৪৪ আসনে। কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য থাকবে।’ আর এক সমীক্ষক সংস্থা জেভিসিও বিজেপির ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। ওই সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, ‘আপ পেতে পারে ২২ থেকে ৩১ আসনে। বিজেপি জয়ী হতে পারে ৩৯ থেকে ৪৫ আসনে। কংগ্রেস জিততে পারে ০-২ আসনে।’

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিল্লির ৭০ বিধানসভা আসনে এক দফাতেই ভোট নেওয়া হয়। ভাগ্যপরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন বিভিন্ন দলের ৬৯৯ জন প্রার্থী। খাতায় কলমে বিভিন্ন দল প্রার্থী দিলেও মূলত লড়াই ছিল ত্রিমুখী। আম আদমি পার্টি, বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যেই মূল লড়াই। এবারে দিল্লিতে ভোটারের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫৬ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৮৩ লক্ষ ৭৬ হাজার। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৭২ লক্ষ ৩৬ হাজার এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১,২৬৭ জন। মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ১৩ হাজার ৭৬৬টি। ভোট উপলক্ষে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল নির্বাচন কমিশন। দিল্লি পুলিশের ৩৫ হাজার ৬২৬ জন কর্মী-আধিকারিকের পাশাপাশি ১৯ হাজার হোমগার্ড এবং ২২০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে ৫৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে মুস্তাফাবাদ আসনে। ওই আসনে ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে ভোটের হার খানিকটা বাড়বে বলেই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। কেননা, ভোটের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেও বহু বুথের বাইরে ভোটারদের লম্বা লাইন লক্ষ্য করা গিয়েছে।

কালকাজি আসন থেকে ফের একবার নিজের ভাগ্য পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনা। তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন কংগ্রেসের অলকা লাম্বা। নয়া দিল্লি আসনে নিজের ভাগ্যপরীক্ষায় নেমেছেন আম আদমি পার্টির জাতীয় সমন্বয়ক তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন দিল্লির প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের ছেলে সন্দীপ দীক্ষিত এবং বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন পরবেশ বর্মা। জংপুরা আসন থেকে লড়ছেন আপের শীর্ষ নেতা তথা দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ শিসোদিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেস দাঁড় করিয়েছে ফারহাদ সুরিকে। বিজেপির হয়ে লড়ছেন তারবিন্দর সিং মারওয়া।

নির্ভয়া কাণ্ডের পরেই দিল্লিতে রাজনৈতিক দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে আম আদমি পার্টি। ২০১২ সালে আত্মপ্রকাশ করেই ২০১৩ সালের ভোটে প্রথমবার লড়ে সবাইকে চমকে দেয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। ২৮টি আসন জিতে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ে। কিন্তু ৪৯ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে আচমকা পদত্যাগ করেন কেজরিওয়াল। এক বছর রাষ্ট্রপতির শাসনের আওতায় থাকার পর ২০১৫ সালের ভোটে ৭০–এর মধ্যে ৬৭ আসন জিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরে আপ। পাঁচ বছর পর ২০২০ সালে আপ জয়ী হয় ৬২ আসনে। বাকি ৮ আসন যায় বিজেপির ঝুলিতে। মাসে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ও ২০ হাজার লিটার জল বিনামূল্যে দেওয়ার মধ্য দিয়ে দিল্লিবাসীর মন জয় করেন কেজরিওয়াল। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার সুব্যবস্থা দিতে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লা ক্লিনিক খুলেছিলেন। পরবর্তীকালে নারীদের বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসে যাতায়াতের সুযোগ করে দিয়েছেন। বয়স্কদের সরকারি খরচে বছরে একবার তীর্থযাত্রায় পাঠিয়েছেন।

আপের এই জনমোহিনী প্রকল্পের বিরুদ্ধে এক সময়ে সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দান–খয়রাত নীতির তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু এবার জেতার মরিয়া প্রচেষ্টায় তিনিও ঢালাও দান–খয়রাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও। তিন দলের ঢালাও প্রতিশ্রুতির বন্যায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্যবিধাতা হিসাবে রাজধানীবাসী কোন দলকে বেছে নেন, তা জানতে অবশ্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ওই দিন সকাল থেকেই খোলা হবে বৈদ্যুতিন ভোট যন্ত্র।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা আতিশীর, বিধানসভা ভেঙে দিলেন উপরাজ্যপাল

শূন্যের হ্যাটট্রিক-ই শুধু নয়, দিল্লিতে ৭০ আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জামানত খুঁইয়েছে কংগ্রেস

লজ্জা! লজ্জা! লজ্জা! দিল্লিতে নোটার কাছেও হেরেছেন সিপিআইএম প্রার্থীরা

২৬০ কোটি সম্পত্তির মালিক, আমেরিকার রয়েছে ৪টি বাড়ি, দিল্লির সবচেয়ে ধনী বিধায়ককে চিনে নিন

দিল্লিতে কংগ্রেসের ‘শিবরাত্রির সলতে’ হয়ে জ্বলছেন দেবেন্দ্র যাদব

‘নিজেদের মধ্যে আরও লড়ো’, আপ-কংগ্রেসকে বিঁধলেন ওমর আবদুল্লা

শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ দিল্লি বিধানসভার ভোট, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৭.৭৮ শতাংশ গড়ে ভো

আগামী ৫ বছর ভাগ্যবিধাতা কে? সকাল থেকেই ভোটের লাইনে দিল্লিবাসী

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00