নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৩৫ বছর পর ফের খুশির আমেজ ছত্রিশগড়ের বস্তারের রাজ পরিবারে। বস্তারের মহারাজা কমলচন্দ্র ভঞ্জদেব বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। পাত্রী আর কেউ নয়,মধ্যপ্রদেশের কিলা নাগৌড় রাজপরিবারের রাজকুমারী ভুবনেশ্বরী কুমারী।রাজকীয় এই বিয়েতে যোগ দিয়েছেন দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিরা। এই বিয়ের সাক্ষ্মী ১০০ জনেরও বেশি আগত অথিতি।
বস্তার রাজ পরিবারের সর্বশেষ বিবাহ ছিল ১৯১৮ সালে মহারাজা রুদ্রপ্রতাপ দেবের। এর পরে, সিংহাসনে বসে থাকা কোনও রাজার বিবাহ বস্তারের প্রাসাদে হয়নি।দীর্ঘ ১৩৫ বছর পর বস্তারের প্রাসাদে বিয়ের সানাই শোনা গিয়েছে।তাতেই উৎফুল্ল আর ধরে না রাজ পরিবারে। দীর্ঘ ১৩৫ বছর পর, বিবাহ উপলক্ষ্যে বুধবার বস্তারের প্রাসাদ থেকে একটি রাজকীয় শোভাযাত্রা শুরু হয়।খোদ রাজামশাই কমলচন্দ্র ভঞ্জদেব বরবেশে হাতির পিঠে চড়ে গোটা শহর ঘুরে বেরিয়েছিলেন।মহারাজের পেছন পেছন উট ও ঘোড়াও হাঁটছিল। যা দেখে তাজ্জব গোটা দেশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিয়ের বিবাহ উপলক্ষ্যে মহারাজ কমলচন্দ্র একটি শোভাযাত্রা মিছিল করেন। এই মিছিলটি প্রাসাদ থেকে নাগৌদের বিমানবন্দরের দিকে রওনা হবে। ১৮৯০ সালে মহারাজা রুদ্রপ্রতাপ দেবের সর্বশেষ বিবাহ শোভাযাত্রা এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিবাহ উপলক্ষ্যে সাজানো হয়েছে গোটা বস্তারের রাজপ্রাসাদ।আলোয় ঝলমল করছে রাজবাড়ি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন স্বপ্নপুরী। দেশ-বিদেশ থেকে বিশেষ সুগন্ধী ফুলেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। হবু বর মহারাজাকে ঘিরে রয়েছে সৈন সামন্তরা। রাজাকে দেখেই স্যালুট জানাচ্ছে তারা।বস্তার রাজ পরিবারে সর্বশেষ শাসক ছিলেন মহারাজা প্রবীরচন্দ্র ভঞ্জদেব। বর্তমান মহারাজা কমলচন্দ্র ভঞ্জদেও হলেন প্রবীরচন্দ্রের পুত্র।