নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই: বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই মহারাষ্ট্রেও শুরু হয়ে মুখ্যমন্ত্রী লড়কি বহিন যোজনা। নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মচারী এই ভাতার সুবিধা পাবেন না। কিন্তু মহারাষ্ট্রে ঘটে গিয়েছে উল্টো ঘটনা। শনিবার এক সরফ্রবভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে লড়কি বহিন যোজনার সুবিধা পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন ২২০০ জনের বেশি সরকারি কর্মচারী। এই তথ্য দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী স্বয়ং অদিতি তাতকারে। শুক্রবার X- হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে করে তাতকারে জানিয়েছেন এবার থেকে সুবিধাভোগীদের যাচাই প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে হবে। আর নিয়মিত যাচাই যদি হয় তাহলে যে আরও কত কী বেরোবে, তার ইয়ত্তা নেই।
“প্রায় ২ লক্ষ আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করার পর, ২,২৮৯ জন সরকারি কর্মচারীকে মুখ্যমন্ত্রী লড়কি বহিন যোজনার সুবিধাভোগী হিসেবে পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের সুবিধাভোগীদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না,” বলেন নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী অদিতি তাতকারে।
তিনি আরও বলেন যে, সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে শুধুমাত্র যোগ্য সুবিধাভোগীরাই মুখ্যমন্ত্রী লড়কি বহিন যোজনার সুবিধা পাবেন। সরকার এই আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই পর্ব চালিয়ে যাবে। অতিতি তাতকারে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “যে কোনও প্রকল্প বাস্তবায়নে সুবিধাভোগীদের যাচাইকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। মুখ্যমন্ত্রী মাঝি লড়কি বহিন প্রকল্পে এটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে,”
২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শুরুতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মাঝি লড়কি বহিন যোজনা চালু করেন। এই যোজনার আওতায়, ২১-৬৫ বছর বয়সী মহিলারা মাসিক ১,৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবেন। তবে, সরকারি কর্মচারীরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য বলে উত্তীর্ণ নন।
ভোটগ্রহণের পর মহাযুতি নেতারা বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের অসাধারণ সাফল্যের জন্য লড়কি বাহিন প্রকল্পকেই বাহবা দিয়েছেন। যদিও তারা একথাও স্বীকার করে নিয়েছেন যে এটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারের উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেছে।