নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের আগে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বাবা সিদ্দিকীর । পূর্ব বান্দ্রায় ছেলে জিশানের অফিসের বাইরে সিদ্দিকিকে লক্ষ্য করে কমপক্ষে ছয় রাউন্ড গুলি চালায় বেশ কয়েকজন । আর সেই গুলি মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রীর বুকে লাগে। এরপর মৃত্যু হয় সিদ্দিকীর । গত ১৩ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হতেই শোরগোল পড়ে যায় রাজনীতিতে । তবে কী কারণে খুন হন সিদ্দিকী তা এখন জানা যায়নি ।
অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা এনসিপির নেতা (অজিত পওয়ার) বাবা সিদ্দিকীর খুনের পরেই দায় স্বীকার করে নিয়েছিল লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। আর তাতেই আশঙ্কা করা হয় বলিউড অভিনেতা সলমন খান, আন্ডারওয়ার্ল্ড ফিগার দাউদ ইব্রাহিম এবং অনুজ থাপানের সাথে সিদ্দিকীর সম্পর্কের কারণে এই খুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে । ইতিমধ্যেই যারা এই কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল সেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ ।
উল্লেখ্য, সত্তরের দশকে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ বাবা সিদ্দিকীর। প্রায় পাঁচ দশক ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রথম বিধায়ক হন। পরে অবশ্য ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের বান্দ্রা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে তিনি পরাজিত হন। গত ফেব্রুয়ারিতেই কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এনসিপিতে (অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী) যোগদান করেন তিনি। তাই মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের আগে বাবাকে হারিয়ে স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন জিশান সিদ্দিকী। আর সেইসময় তিনি কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দেন অজিত পওয়ারের এনসিপিতে। এরপরেই বান্দ্রা পূর্ব থেকে লড়াই করেন জিশান। সেখানেই তাঁর হয় ভরাডুবি। বলা বাহুল্য, ২০২৪ সালে বাবা সিদ্দিকীর হত্যাকাণ্ড গোটা দেশের রাজনীতিতে বড় প্রভাব পড়েছে ।