নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: জন্মভূমি বাংলাদেশের মাটিতে ফেরা আপাতত অসম্ভব। ভারত ছাড়া অন্য কোনও দেশে যাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয় পান, তার জন্য নয়া ষড়যন্ত্রে নেমে পড়লেন আইএসআই এজেন্ট তথা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কন্যার বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় ঠেকাতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে গণহত্যার মামলা দায়ের করতে চলেছেন তিনি। আর এ বিষয়ে তাঁকে সাহায্য করছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি এ করিম খান। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে ফাঁসানো যায়, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করতে চলতি বছরের শেষেই ঢাকায় আসছেন করিম।
রাজনৈতিক পালাবদলের পরে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ জুড়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুই শতাধিক খুন ও গুমের মামলা দায়ের হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও এক ডজনের বেশি মামলা দায়ের হয়েছে। ভারত থেকে মুজিব কন্যাকে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা। কিন্তু তা যে সম্ভব নয়, তা ভালই জানেন ইউনূস অ্যান্ড গ্যাং। কিন্তু শেখ হাসিনা যাতে অন্য কোনও দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে না পারেন তার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি এ করিম খানের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনূস। ওই বৈঠকেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা করা নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে করিম খান জানিয়েছেন, মুজিব কন্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা করা যাবে।
কীভাবে ওই মামলা হবে, সরকার নাকি জুলাই-অগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারকে দিয়ে মামলা করানো হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য চলতি বছরের শেষের দিকে ঢাকায় আসার কথা জানিয়েছেন করিম খান। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ব্যবস্থা করে তাঁর বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের পথ বন্ধ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন করিম। তার জন্য অবশ্য বাংলাদেশ সরকারকে মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক দিতে হবে তাঁকে।