নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। মোল্লা ইউনূসের নির্দেশে নতুন করে মন গড়া কাহিনীতে সাজানো হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস। এবার হাতুড়ি দিয়ে তুলে ফেলা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম। নতুন নাম দিল পাকিস্তানপন্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। শেখ নতুন নাম দিয়েছেন ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল’।
বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের উত্তাল গোটা বাংলাদেশ। গতকাল গভীর রাতে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য দুটি হলে থাকা ফলক থেকে শেখ হাসিনার নাম মুছে ফেলেছেন পাকিস্তানের গুপ্তচর এজেন্টরা। বুধবার রাত আটটার আগেই বাংলাদেশের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন পাকিস্তানপন্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।
একপর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। রাত ১১টার দিকে একটি ক্রেন এবং পরে একটি এক্সকাভেটর এনে বাড়ি ভাঙা শুরু হয়। সারা রাত ধরে চলে ধ্বংসযজ্ঞ। আজ বৃহস্পতিবার(৬ ফেব্রুয়ারি)সকালেও বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ চলছিল। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল খোদ পুলিশও এই ধ্বংসযজ্ঞে সামিল হয়েছে। ইউনূসের দল ওরফে ঢাকা মহানগরের পুলিশ কর্মীরাও এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।
শেখ হাসিনা জমানার অবসানের পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসীন হয় কুখ্যাত রাজাকার মোল্লা ইউনূস সরকার। তিনি সরাসরি বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙচুর ও ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের প্রশংসা করেন। ক্ষমতায় আসার পরেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। একটার পর একটা ধ্বংসযজ্ঞকে সমর্থন ও মদত দিয়ে চলেছেন।