আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া হবে না। এই বিষয়ে সাফ জানালেন পাক বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া সহ আরও তিন সমস্যার ২ বার সমাধান করা হয়েছে। ১৯৭৪ এবং ২০০০ সালে সমাধান হয়েছে। তাই মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া হবে না।
তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় অমীমাংসিত ইস্যুতে প্রথমে ১৯৭৪ সালের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তারপর ২০০০ সালে জেনারেল পারভেজ মোশারফ বাংলাদেশে প্রকাশ্যে বিষয়টির সমাধান করেছিলেন। শনিবার ঢাকায় এসেছেন ইসহাক দার। ঢাকা শহরের প্রথম দিনেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে রাজনৈতিক বিষয়ের নানা ক্ষেত্র উঠে এসেছে। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়টিও উঠেছে। পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
জানা গিয়েছে রবিবার সকালে ইসহাক দার বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরপরই দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রকের বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। জানা গিয়েছে, ৭১ সালে পাক বাহিনীর বর্বোরোচিত হামলার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, যুদ্ধের কারণে ক্ষতিপূরণ, সম্পত্তির ভাগাভাগি, বাংলাদেশের আটকে থাকা পাকিস্তানি সহ একাধিক বিষয়ে সুরাহা করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।
ইশহাক দার সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশের আধিকারিকদের। দুদেশের প্রতিরক্ষা বিষয়, সন্ত্রাসবাদ দমন, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, সার্ককে সচল করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গণহত্যায় ক্ষমা চাওয়ারক বিষয়ে খুব বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। তবে ওই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়া হবে না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। রবিবার রাতেই বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা সফর শেষ করবেন বলে জানা যাচ্ছে।