নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি : পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হবে। আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডিএ মামলা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিদিন শুনানি হবে। সোমবার সেই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চে। এদিন সময় মতো মামলাটি বেঞ্চে ওঠার পরেই মামলাটি পিছিয়ে গিয়েছে। ডিএ প্রাপকরা জানিয়েছেন, সুুপ্রিমকোর্টের ওপরে তাঁদের ভরসা রয়েছে।
সুপ্রিমকোর্টের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মামলটি শুনেছেন। এই মামলার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুনানি করা হবে। প্রয়োজন হলে প্রতিদিন শুনানি হবে। রাজ্যের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, টাকার পরিমাণ অনেকটা বেশি হওয়ার জন্যই সময় দরকার।
বহুদিন ধরে অপেক্ষা করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কবে পাবেন তাদের প্রাপ্য ডিএ। শীর্ষ আদালত ও রাজ্য সরকারের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী। যদি একবার ঘোষণা হয় ডিএ-র। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল ২৫ শতাংশ দিয়ে মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। নির্দিষ্ট সময়সীমা ও দেওয়া হয়েছিল শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে, আরো ছয় মাস সময় চেয়েছিল রাজ্য। সেই ডিএ সংক্রান্ত শুনানি সোমবার ছিল শীর্ষ আদালতে। সোমবার সেই সংক্রান্ত মামলা ওঠে শীর্ষ আদালতের সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রের বেঞ্চে। তারপরেই মামলা মঙ্গলবার শোনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল, জুন মাসের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ। এই নির্দেশের পর থেকে প্রায় ১০ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত পেনশন প্রাপকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। স্বভাবতই বর্তমানে রাজ্যে বহুলচর্চিত বিষয় হল এই ডিএ। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা চলেছে নবান্নেও। সময়সীমা শেষের আগে নবান্নের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আশা করেছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা। কিন্তু তা সফল হয়নি। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। এবার সেইদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ডিএ-র ফারাক ৩৭ শতাংশ। এখন এটা কতটা কমে সেটাই দেখার।