নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। বীরভূমে বোলপুর থানার আইসি-কে(IC) অনুব্রত মণ্ডলের কু-কথা বলার ঘটনায় তদন্তে নির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন জাতীয় মহিলা কমিশনের(NCW) চেয়ারম্যান। এরপর বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার এই হস্তক্ষেপের ঘটনার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ শুক্রবার সেই মামলা শুনানিতে পুলিশের চলা তদন্তে জাতীয় মহিলা কমিশন হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন। তদন্তকারী এজেন্সিতে জাতীয় মহিলা কমিশন কি করে ধারা উল্লেখ করতে বলে এবং তা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কলকাতা হাইকোর্ট।
তবে এর পাশাপাশি জাতীয় মহিলা কমিশন যেদিন ভার্চুয়াল শুনানি করবে তাতে এসপিকে থাকারও নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট(Kolkata High Court)। তবে জাতীয় মহিলা কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন এই শুনানিতে আদাল তে এই প্রশ্ন করতেও শোনা যায় যদি কোন এজেন্সি তদন্ত করে সেখানে কেস ডাইরি দেখতে চাওয়া বা ধারা অন্তর্ভুক্ত করা এই ধরনের ঘটনা হস্তক্ষেপ করা বলে বিবেচিত হয়। এর পাশাপাশি বীরভূম জেলার পুলিশ সুপারকে সশরীতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় মহিলা কমিশন।
সেই পরিপেক্ষিতে হাইকোর্ট জাতীয় মহিলা কমিশন ভার্চুয়ালি শুনানির ব্যবস্থা করলে তাতে এসপিকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কেস সংক্রান্ত কোন কোন তথ্য বা কিছু লিখিত ডকুমেন্টস যদি জাতীয় মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকে চাওয়া হয় সে ক্ষেত্রে সেই তথ্য whatsapp বা ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে শেয়ার করা যেতে পারে বলে কলকাতা হাইকোর্ট জেলার পুলিশ সুপারকে পরামর্শ দিয়েছে।