আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইজরায়েল ও ইরান একে অপরের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। ইজরায়েল দাবি করেছে তারা ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বেশ কিছু বড় খনিজ তেলের ডিপো এবং গ্যাস শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
ইজরায়েল এবং ইরানবাসী সকাল হচ্ছে সাইরেনের শব্দ দিয়ে। ইজরায়েলের জেরুজালেম ও তেল আবিবের মতো বৃহৎ শহরগুলিতে ক্রমাগত সাইরেন বাজছে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানের উপর আক্রমণ তীব্র করার নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার মধ্যরাতে তেহরানে একটি গগনচুম্বী ভবনে ইজরায়েলি হানায় ২৯ জন শিশু সহ ৬০ জন নিহত হয়েছেন। ইজরায়েলের লক্ষ্য হল ইরানের সমস্ত পারমাণবিক ইউনিট সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা। ইরানে ৫টি পারমাণবিক কেন্দ্র রয়েছে। যথাক্রমে – ফোর্দো, খোন্দাব , নাতানজ, ইসফাহান এবং বুশেহর।
ইজরায়ের পূর্ণ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে। প্রথমে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র আক্রমণের পর এখন তারা তেলের ডিপো এবং গ্যাস শোধনাগারগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজধানী তেহরানের কাছে শাহরান তেল ডিপোতে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের একটি বন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের বুশেহরে অবস্থিত ফুজর গ্যাস শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। প্রাকৃতিক গ্যাস মজুতের দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম শোধনাগার এটি। গত ৪৮ ঘণ্টায় ইরানে ইজরায়েলি হামলায় ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৯ জন পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং বহু শীর্ষ কম্যান্ডার রয়েছেন। তেল আবিবের তীব্র আক্রমণ প্রতিহত করতে তেহরান দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।
ইজরায়েলের হামলার জবাবে ইরানও১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইরানি হানায় এখনও পর্যন্ত ৫ জন নিহত এবং ১০০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।