নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা। ক্রমশই থাবা চওড়া করছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৬৮৫ জন। আর প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন চার জন। ওই চার জন উত্তরপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক ও ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা। সক্রিয় বা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৩৯৫ জন। মারণ ভাইরাস যেভাবে দাপট দেখাতে শুরু করেছে তাতে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে মাস্ক পরা ফের বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শনিবার (৩১ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় সংক্রমিতের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কেরল। ওই রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৮৯ জন। এর পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। ওই রাজ্যে নতুন করে আরও ৮৯ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের হদিশ মিলেছে। কর্নাটকে ৮৬ ও দিল্লিতে ৮১ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়া উত্তরপ্রদেশে ৭৫, মহারাষ্ট্রে ৪৩, গুজরাতে ৪২, রাজস্থানে ৯ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা ও ঝাড়খণ্ডেও ছয় জন করে সংক্রমিত হয়েছেন
সক্রিয় করোনা রোগীর ক্ষেত্রেও শীর্ষে রয়েছে কেরল। দক্ষিণী রাজ্যটিতে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১,৩৩৬। মহারাষ্ট্রে ৪৬৭, দিল্লিতে ৩৭৫, গুজরাতে ২৬৫, কর্নাটকে ২৩৪ ও পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২০৫ জন। এছাড়া তামিলনাডুতে ১৮৫, উত্তরপ্রদেশে ১১৭ ও রাজস্থানে ৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। করোনা থাবা চওড়া করতে প্রতিটি রাজ্যকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।