নিজস্ব প্রতিনিধি: নদিয়া জেলার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা’র প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে প্রয়াত বিধায়কের উদ্দ্যেশে লেখেন, “ নদীয়ার তেহট্টের বিধায়ক, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, শ্রী তাপস সাহা’র অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি আমার অনেক দিনের পুরাতন সহকর্মী ছিলেন। তাঁর এই মৃত্যু জেলা তথা বাংলার রাজনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি।
আমি তাঁর পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও অগণিত সমর্থককে আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”
নদীয়ার তেহট্টের বিধায়ক, আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, শ্রী তাপস সাহা’র অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি আমার অনেক দিনের পুরাতন সহকর্মী ছিলেন। তাঁর এই মৃত্যু জেলা তথা বাংলার রাজনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি।
আমি তাঁর পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন,…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 15, 2025
ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন বিধায়ক তাপস সাহা। তবে শেষ রক্ষা হল না তাঁর। বৃহস্পতিবার সকাল আমুমানিক ৮ টা ১৫ নাগাদ না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিধায়ক। মৃত্যুকালীন তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজ্য রাজনীতিতে। শোকাহত গোটা নদিয়া জেলা।
দল সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের প্রথম দিন থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহের পাত্র ছিলেন তৎকালীন যুব নেতা তাপস সাহা। ২০১৬ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রয়াত তাপস সাহা পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক হিসেবে কাজ করেছেন। জানা গিয়েছে, তার পর ২০২১ সালে তাপসের বিধানসভা কেন্দ্র বদল করে দল। ফের নদিয়ার তেহট্ট থেকে নির্বাচিত হন বিধায়ক তাপস সাহা। তার মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম উঠে আসে তাঁর। এমনকী, প্রয়াত বিধায়কের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তড়িঘড়ি শুরু হয় তল্লাশি। সিবিআই আধিকারিকরা সংগ্রহ করে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা। এই সমস্ত কিছুর মাঝেই বুধবার নিজের বাড়িতে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তাপস। তাঁর দলের সূত্রে খবর, বিগত কয়েক মাস ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তাপস বাবু। কিছু মাস আগে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন নিজের চিকিৎসা করাতে। ফিরে এসেই আবার কাজে লেগে পড়েন তিনি। কিন্তু ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিধায়ক। তার পরই ঘটে এই অঘটন।