নিজস্ব প্রতিনিধি : চুল মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। প্রত্যেকের মুখমন্ডলের সঙ্গে চুলের সৌন্দর্য আলাদা মাত্রা দেয়। তারজন্যই চুলের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে চুলের যত্ন নিতে সকলেই চায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় পর্যাপ্ত শ্যাম্পু, তেল ব্যবহার করার পরেও চুলে পর্যাপ্ত ঔজ্জ্বল্য ও মসৃণভাব দেখতে পাওয়া যায় না। যখন সবকিছু করার পরেও চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য আসে না, তখন বুঝতে হবে চুলে দেখা দিয়ে পুষ্টির অভাব।
মানুষের শরীর সুস্থ রাখতে যেমন পুষ্টির প্রয়োজন, তেমন চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চুলেরও পুষ্টি প্রয়োজন। চুলে থাকা প্রোটিন তথা কেরোটিন কমলেই চুলে সমস্যা দেখতে পাওয়া যায়। পাশাপাশি চুল সুস্থ-সবল রাখতে চুলের পুষ্টি অত্যন্ত প্রয়োজন। চুলে রং, স্ট্রেটনিং, রিবন্ডিং, কালিংও বোড্রায়িং করলে ক্ষতি হয় বিস্তর। সঠিক যত্ন নিলে চুলের জেল্লা ফিরে আসতে বাধ্য। আসুন দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি প্রোটিন।
- নির্জীব চুলে জেল্লা আনতে একই পরিমাণ টাটকা ফুল ফ্যাট ক্রিম এবং টক দই মেশাতে হবে। পাতলা চুল বা তেল চুলে এই মাস্ক ব্যবহার করা উচিৎ নয়।
- পাকা কলা ও অ্যাভোগাডো মাস্কও ব্যবহার করা যায়। কলা ও অ্যাভোগাডো চটকে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে চুলে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। শ্যাম্পুর পরে কন্ডিশনার এবং সিরাম লাগাতে হবে।
- ডিম ও টক একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে চুল আঁচড়ে এই মাস্ক চুলের গোড়া অবধি লাগাতে হবে। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
- তেল থাকলেও ডিম ও অলিভ অয়েল মাস্ক তৈলাক্ত চুলের জন্যও উপকারি। ডিম ফেটিয়ে তাতে ১-২ চা-চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগান। হট অয়েল মাসাজের করার পর এই মাস্ক লাগালে, স্ক্যাল্প ভালো থাকবে। বেশকিছুক্ষণ এই মাস্কটি চুলে রেখে শ্যাম্পু করে নিলেই কেল্লা ফতে।
শুধু মাস্ক তেল লাগালেই হবে না। খেয়াল রাখতে হবে সঠিকভাবে প্রোটিন পাচ্ছে কিনা শরীরও। তারজন্য কাঠবাদাম, আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনাবাদাম খাওয়া উচিৎ। এই বাদাম গুলোতে থাকা প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রভাব ফেলে চুলে।