নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৮৭ বছর ধরে সাজা কাটতে হবে জেলে। নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে প্রতারণা করার অভিযোগে এমনই বিরল সাজা শুনিয়েছে কেরালের আদালত। ১০ বছর, ২০ বছর নয়, ১৮৭ বছরেরমতো বিরলতম সাজা ঘোষণার মতো ঘটনা ঘটেছে।
কেরালায় নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে ১৮৭ বছরের সাজা ঘোষণা কেরলের পকসো আদালতের। পাশাপাশি অভিযুক্তকে ৯ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত করোনা আবহের সময়ে। ২০২০ সাল থেকে কান্নুড়ে একটি মাদ্রাসা স্কুলের কর্মরত মহম্মদ রফি নামে এক শিক্ষক বছর ১৬-এর এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছিল। পরে তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে সে। নাবালিকা পরিবার বিষয়টি প্রথমে না জানলেও, পরে নাবালিকার ব্যবহার দেখে সন্দেহ হয়। পরে নাবালিকাকে কাউন্সিলিং করা হলে আসল ঘটনা সামনে আসে। শেষমেশ প্রতারিত হয়েছে বুঝতে পেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।
অভিযোগের ভিত্তিতে পাঝায়ানগাদি থানার পুলিশ আলাগোড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর শুরু হয় তদন্ত। নিম্ন আদালতে এই মামলা চলছিল। বুধবার এই মামলার রায় বেরোলে অভিযুক্তকে পকসো আইনের অধীনে প্রমাণের ভিত্তিতে ১৮৭ বছর কারাদন্ড ও ৯ লক্ষ টাকার জরিমানার সাজা দেয় আদালত। এদিনের রায়ে খুশি নয় নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি ছিল অভিযুক্তের ফাঁসি।
উল্লেখ্য, এই ঘটনাই প্রথম নয়। এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল অভিযুক্ত। কান্নুর জেলার একটি মাদ্রাসায় আরেক নাবালিকাকে যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল রফিকে। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ফের একই ঘটনার ঘটিয়েছে সে।