নিজস্ব প্রতিনিধি : সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি ফের পিছিয়ে গেল। এই মামলাটি আগামী বুধবার (২৯ জানুয়ারি) শুনবে শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ওই দিন দুপুর ২ টোয় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
সঞ্জয় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এই প্রথম সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি হবে। আগামী ২৯ জানুয়ারি মামলাটি শুনবে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ।
এর আগে আরজি কর-কাণ্ডে দোষী সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিল রাজ্য। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।আরজি কর কাণ্ডে সন্তুষ্ট নয় নির্যাতিতার পরিবার সহ রাজ্য সরকারও। তাই দোষী সঞ্জয় রায়ের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছে রাজ্য।
রাজ্য যে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান রাজ্যের আইনজীবী জেনারেল কিশোর দত্ত। অনুমতিও দিয়েছেও ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার(২১ জানুয়ারি)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘আদালতের রায় দেখে স্তম্ভিত। এই ঘটনাকে বিরলতম ঘটনা মনে করা হচ্ছে না। আমি মনে করি, এই ঘটনাটি অবশ্যই বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা, যেখানে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত ছিল। কী ভাবে এই ঘটনাকে বিরলতম নয় বলে ঠিক করা হল ? আমরা ফাঁসির সাজা চাইছি।’ এই ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার শেয়ালদা আদালতে বিচারক অনির্বাণ দাস আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আমৃত্য কারাদন্ডের সাজা শুনিয়েছেন। সঞ্জয়ের সাজা নিয়ে ওই দিনই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মালদায় দাঁড়িয়ে এই নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফাঁসি হলে মনকে সান্ত্বনা দিতে পারতাম।’ তারপরেই হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেছিলেন তিনি।জয়নগর থেকে গুড়াপ সহ গত কয়েক মাসে কয়েকটি ধর্ষণ মামলায় দোষীর ফাঁসির সাজা হয়েছে। ওই ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাসে আমি এই ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ মৃত্যদন্ড দিতে পেরেছি। তবে এক্ষেত্রে হল না কেন ? আমি মনে করি এই অপরাধ অত্যন্ত জঘন্যতম। তাই দোষীর সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত।’